আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ইবোলা পরিস্থিতি। দেশটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৫ জনে। এদের মধ্যে ইতিপূর্বে ১৩৫৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কঙ্গো সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আফ্রিকার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত যতগুলো ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের নজরদারির আড়ালে রোগটি গোপনে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি অনুধাবন করে গত ১৫ মে কঙ্গো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এবারের সংক্রমণটি অত্যন্ত বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাসের কারণে ঘটছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো এই নির্দিষ্ট ভাইরাসটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদিত টিকা বা শতভাগ কার্যকর চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি।
তবে ভাইরাসের বিস্তার রোধ ও কার্যকর প্রতিষেধক তৈরির লক্ষ্যে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা থেমে নেই। বহু প্রতীক্ষিত গবেষণার পর ইতোমধ্যে রোগীদের ওপর প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) শুরু করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ে ইবোলা প্রতিরোধের এই লড়াইয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে একাধিক অভ্যন্তরীণ সংকট। একে তো জরুরি তহবিলের তীব্র ঘাটতি রয়েছে, তার ওপর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতময় এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তাণ্ডব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও চলমান সশস্ত্র যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক স্থানেই জীবন ঝুঁকিতে রেখে কাজ করছেন, যা সার্বিক ইবোলা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ইবোলা পরিস্থিতি। দেশটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৫ জনে। এদের মধ্যে ইতিপূর্বে ১৩৫৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কঙ্গো সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আফ্রিকার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত যতগুলো ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের নজরদারির আড়ালে রোগটি গোপনে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি অনুধাবন করে গত ১৫ মে কঙ্গো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এবারের সংক্রমণটি অত্যন্ত বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাসের কারণে ঘটছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো এই নির্দিষ্ট ভাইরাসটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদিত টিকা বা শতভাগ কার্যকর চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি।
তবে ভাইরাসের বিস্তার রোধ ও কার্যকর প্রতিষেধক তৈরির লক্ষ্যে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা থেমে নেই। বহু প্রতীক্ষিত গবেষণার পর ইতোমধ্যে রোগীদের ওপর প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) শুরু করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ে ইবোলা প্রতিরোধের এই লড়াইয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে একাধিক অভ্যন্তরীণ সংকট। একে তো জরুরি তহবিলের তীব্র ঘাটতি রয়েছে, তার ওপর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতময় এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তাণ্ডব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও চলমান সশস্ত্র যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক স্থানেই জীবন ঝুঁকিতে রেখে কাজ করছেন, যা সার্বিক ইবোলা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

আপনার মতামত লিখুন