সংবাদ

মাঝনদীতে ঝাঁপ, চার ঘণ্টা পর উদ্ধার


প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম

মাঝনদীতে ঝাঁপ, চার ঘণ্টা পর উদ্ধার
চলন্ত ফেরি থেকে ঝাঁপ দিয়েও অলৌকিকভাবে প্রাণে বাঁচলেন মোসা. লাইজু। ছবি : সংবাদ

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে চলন্ত ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মোসা. লাইজু (৩৯) নামের এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর চর এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

উদ্ধার হওয়া লাইজু ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকার ঝাউচর গ্রামের মো. ফোরকান মিয়ার স্ত্রী। তার জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে এই পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়াগামী ‘কুমিল্লা’ নামের একটি ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন ওই নারী। ফেরিটি ৩ নম্বর ঘাট ছেড়ে মাঝনদীর লাল বয়া এলাকায় পৌঁছালে তিনি পেছনের অংশ থেকে নদীতে লাফ দেন। তাৎক্ষণিকভাবে ফেরি থামিয়ে সার্চলাইট জ্বালিয়ে খোঁজাখুঁজি করা হলেও তীব্র স্রোতের কারণে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঘটনার প্রায় ৪ ঘণ্টা পর ফরিদপুরের কবিরপুর চর এলাকায় জেলেরা নদীতে মাছ ধরার সময় কচুরিপানা ধরে একজনকে ভেসে থাকতে দেখেন। এ সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে তারা এগিয়ে যান এবং তাকে জীবিত উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে তাকে প্রাথমিক সেবা দিয়ে শুকনো পোশাক পরানো হয়।

নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন জানান, উদ্ধারের পর ওই নারী সুস্থ আছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্রোতে ভেসে তিনি এই চরে এসে পৌঁছেছেন। বিষয়টি দৌলতদিয়া ও কোতোয়ালি নৌ পুলিশকে জানানো হয়েছে।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, ওই নারী বর্তমানে ফরিদপুর পুলিশের নজরদারিতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


মাঝনদীতে ঝাঁপ, চার ঘণ্টা পর উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে চলন্ত ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মোসা. লাইজু (৩৯) নামের এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর চর এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

উদ্ধার হওয়া লাইজু ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকার ঝাউচর গ্রামের মো. ফোরকান মিয়ার স্ত্রী। তার জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে এই পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়াগামী ‘কুমিল্লা’ নামের একটি ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন ওই নারী। ফেরিটি ৩ নম্বর ঘাট ছেড়ে মাঝনদীর লাল বয়া এলাকায় পৌঁছালে তিনি পেছনের অংশ থেকে নদীতে লাফ দেন। তাৎক্ষণিকভাবে ফেরি থামিয়ে সার্চলাইট জ্বালিয়ে খোঁজাখুঁজি করা হলেও তীব্র স্রোতের কারণে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঘটনার প্রায় ৪ ঘণ্টা পর ফরিদপুরের কবিরপুর চর এলাকায় জেলেরা নদীতে মাছ ধরার সময় কচুরিপানা ধরে একজনকে ভেসে থাকতে দেখেন। এ সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে তারা এগিয়ে যান এবং তাকে জীবিত উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে তাকে প্রাথমিক সেবা দিয়ে শুকনো পোশাক পরানো হয়।

নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন জানান, উদ্ধারের পর ওই নারী সুস্থ আছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্রোতে ভেসে তিনি এই চরে এসে পৌঁছেছেন। বিষয়টি দৌলতদিয়া ও কোতোয়ালি নৌ পুলিশকে জানানো হয়েছে।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, ওই নারী বর্তমানে ফরিদপুর পুলিশের নজরদারিতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত