স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের ১৭ জন রাষ্ট্রপতির মধ্যে মাত্র একজন সসম্মানে বঙ্গভবন ত্যাগ করেছেন। বাকিদের বিদায় ছিল নীরব-নিভৃত, কখনো বিতর্কের মুখে, কখনো মৃত্যুর ছায়ায়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদে আসীনদের ইতিহাস বলছে, এখানে বিদায়ের চেয়ে অপসারণের গল্পই বেশি।
বঙ্গভবন হচ্ছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার আসন। এই প্রাসাদের চাবি হাতে পাওয়া মানেই সম্মান।তবে সেই সম্মান নিয়ে বিদায় নেওয়ার নজির খুব কম। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই কোনো না কোনো বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। একজন বিদায় নিয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। সেটাও প্রথমবারের মতো।বাকিরা গেছেন নীরবে, অপমানিত হয়ে, অথবা কারও হাতে নিহত হয়ে।
আবু সাঈদ চৌধুরী (১৯৭২-১৯৭৩)
স্বাধীনতার পর প্রথম রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও আইনজ্ঞ। তিনি দায়িত্ব পালন করেন মাত্র দেড় বছর। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি পদত্যাগ করেন। তাকে কোনো রাষ্ট্রীয় বিদায় জানানো হয়নি। তিনি নীরবেই ফিরে যান তার আইনি পেশায়।
মোহাম্মদউল্লাহ (১৯৭৩-১৯৭৫)
তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদউল্লাহ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। পরে তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তাঁকে বিদায় নিতে হয়। এটি ছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল, কোনো সম্মানজনক বিদায় নয়।
শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৫)
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি রাষ্ট্রপতি হন। মাত্র সাত মাস পর- ১৫ আগস্ট-একদল সেনাসদস্য তাকে সপরিবারে হত্যা করে। তাঁর বিদায় ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস অধ্যায়।
খন্দকার মোশতাক আহমদ (১৯৭৫)
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি রাষ্ট্রপতি হন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মাথায় তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এক অভ্যুত্থানে তিনি পদচ্যুত হন। বঙ্গভবনে তাঁর বিদায় ছিল বিতর্কিত ও লজ্জাজনক।
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম (১৯৭৫-১৯৭৭)
খন্দকার মোশতাকের পর প্রধান বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি হন। তিনি দায়িত্ব পালন করেন প্রায় দুই বছর। ১৯৭৭ সালের এপ্রিলে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। কোনো বিদায় সংবর্ধনা ছিল না।
জিয়াউর রহমান (১৯৭৭-১৯৮১)
তিনি রাষ্ট্রপতি হন ও নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনাসদস্যের হাতে তিনি নিহত হন। তার বিদায় ছিল আরেকটি হত্যাকাণ্ড।
আব্দুস সাত্তার (১৯৮১-১৯৮২)
জিয়াউর রহমানের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হন। পরে তিনি নির্বাচিতও হন। কিন্তু ১৯৮২ সালের মার্চে এরশাদের অভ্যুত্থানে তিনি পদচ্যুত হন। বঙ্গভবন ছাড়তে হয়েছে বিনা সম্মানে।
আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী (১৯৮২-১৯৮৩)
এরশাদের অভ্যুত্থানের পর তিনি মাত্র এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হন। তিনি ছিলেন এরশাদের মনোনীত। বিদায় নিয়েছিলেন নীরবেই।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (১৯৮৩-১৯৯০)
এরশাদ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সাত বছর। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণআন্দোলনের মুখে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার বিদায় ছিল রাজনৈতিক পতনের প্রতীক।
শাহাবুদ্দিন আহমেদ (১৯৯০-১৯৯১ অস্থায়ী, ও ১৯৯৬-২০০১)
প্রথমবার তিনি ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। পরে ১৯৯৬ সালে আবার রাষ্ট্রপতি হন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর তার সঙ্গে বিএনপি সরকারের সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হয়। তিনি নীরবেই বিদায় নেন।
আবদুর রহমান বিশ্বাস (১৯৯১-১৯৯৬)
তিনি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করলেও বিদায় সংবর্ধনা পাননি। কারণ, তার বিদায়ের আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। প্রতিপক্ষ দল বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় করতে আগ্রহী ছিল না।
একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (২০০১-২০০২)
মাত্র সাত মাস সাত দিন তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। দলের সঙ্গে মতবিরোধে তাকে পদত্যাগ করতে হয়। এটি ছিল রাজনৈতিক চাপের ফল।
ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (২০০২-২০০৯)
তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন দীর্ঘ সময়। ২০০৬ সালের সংকটে তিনি নিজেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হন। পরে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। তার বিদায় ছিল বিতর্কের মধ্যেই।
জিল্লুর রহমান (২০০৯-২০১৩)
আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক, তবে কোনো বিদায় নেই।
আবদুল হামিদ (২০১৩-২০২৩)
জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর স্পিকার আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন, পরে নির্বাচিত হন। তিনিই একমাত্র রাষ্ট্রপতি যিনি ২০২৩ সালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। লালগালিচা, গার্ড অব অনার ও পুষ্পশোভিত জিপ-এটাই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম এমন বিদায়।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (২০২৩-২০২৬)
আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হন সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে তার অপসারণের দাবি উঠতে থাকে। ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই তিনি ‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তার বিদায়ও ছিল নীরব, কোনো সংবর্ধনা নেই।
বঙ্গভবনের এই ইতিহাসে বিদায়ের চেয়ে নীরবতা ও বিতর্কের গল্পই বেশি। রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও এখানে কেউ সম্মানের সঙ্গে ফিরে যেতে পারেননি- একমাত্র আবদুল হামিদ ছাড়া। রাষ্ট্রপতির বিদায়ের জন্য আইনে কোনো রাষ্ট্রীয় আচার নেই; আর সেই সুযোগে ক্ষমতাসীন দল প্রতিপক্ষের রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় করতে আগ্রহী হয় না।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের ১৭ জন রাষ্ট্রপতির মধ্যে মাত্র একজন সসম্মানে বঙ্গভবন ত্যাগ করেছেন। বাকিদের বিদায় ছিল নীরব-নিভৃত, কখনো বিতর্কের মুখে, কখনো মৃত্যুর ছায়ায়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদে আসীনদের ইতিহাস বলছে, এখানে বিদায়ের চেয়ে অপসারণের গল্পই বেশি।
বঙ্গভবন হচ্ছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার আসন। এই প্রাসাদের চাবি হাতে পাওয়া মানেই সম্মান।তবে সেই সম্মান নিয়ে বিদায় নেওয়ার নজির খুব কম। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই কোনো না কোনো বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। একজন বিদায় নিয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। সেটাও প্রথমবারের মতো।বাকিরা গেছেন নীরবে, অপমানিত হয়ে, অথবা কারও হাতে নিহত হয়ে।
আবু সাঈদ চৌধুরী (১৯৭২-১৯৭৩)
স্বাধীনতার পর প্রথম রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও আইনজ্ঞ। তিনি দায়িত্ব পালন করেন মাত্র দেড় বছর। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি পদত্যাগ করেন। তাকে কোনো রাষ্ট্রীয় বিদায় জানানো হয়নি। তিনি নীরবেই ফিরে যান তার আইনি পেশায়।
মোহাম্মদউল্লাহ (১৯৭৩-১৯৭৫)
তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদউল্লাহ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। পরে তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তাঁকে বিদায় নিতে হয়। এটি ছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল, কোনো সম্মানজনক বিদায় নয়।
শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৫)
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি রাষ্ট্রপতি হন। মাত্র সাত মাস পর- ১৫ আগস্ট-একদল সেনাসদস্য তাকে সপরিবারে হত্যা করে। তাঁর বিদায় ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস অধ্যায়।
খন্দকার মোশতাক আহমদ (১৯৭৫)
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি রাষ্ট্রপতি হন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মাথায় তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এক অভ্যুত্থানে তিনি পদচ্যুত হন। বঙ্গভবনে তাঁর বিদায় ছিল বিতর্কিত ও লজ্জাজনক।
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম (১৯৭৫-১৯৭৭)
খন্দকার মোশতাকের পর প্রধান বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি হন। তিনি দায়িত্ব পালন করেন প্রায় দুই বছর। ১৯৭৭ সালের এপ্রিলে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। কোনো বিদায় সংবর্ধনা ছিল না।
জিয়াউর রহমান (১৯৭৭-১৯৮১)
তিনি রাষ্ট্রপতি হন ও নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনাসদস্যের হাতে তিনি নিহত হন। তার বিদায় ছিল আরেকটি হত্যাকাণ্ড।
আব্দুস সাত্তার (১৯৮১-১৯৮২)
জিয়াউর রহমানের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হন। পরে তিনি নির্বাচিতও হন। কিন্তু ১৯৮২ সালের মার্চে এরশাদের অভ্যুত্থানে তিনি পদচ্যুত হন। বঙ্গভবন ছাড়তে হয়েছে বিনা সম্মানে।
আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী (১৯৮২-১৯৮৩)
এরশাদের অভ্যুত্থানের পর তিনি মাত্র এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হন। তিনি ছিলেন এরশাদের মনোনীত। বিদায় নিয়েছিলেন নীরবেই।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (১৯৮৩-১৯৯০)
এরশাদ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সাত বছর। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণআন্দোলনের মুখে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার বিদায় ছিল রাজনৈতিক পতনের প্রতীক।
শাহাবুদ্দিন আহমেদ (১৯৯০-১৯৯১ অস্থায়ী, ও ১৯৯৬-২০০১)
প্রথমবার তিনি ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। পরে ১৯৯৬ সালে আবার রাষ্ট্রপতি হন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর তার সঙ্গে বিএনপি সরকারের সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হয়। তিনি নীরবেই বিদায় নেন।
আবদুর রহমান বিশ্বাস (১৯৯১-১৯৯৬)
তিনি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করলেও বিদায় সংবর্ধনা পাননি। কারণ, তার বিদায়ের আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। প্রতিপক্ষ দল বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় করতে আগ্রহী ছিল না।
একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (২০০১-২০০২)
মাত্র সাত মাস সাত দিন তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। দলের সঙ্গে মতবিরোধে তাকে পদত্যাগ করতে হয়। এটি ছিল রাজনৈতিক চাপের ফল।
ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (২০০২-২০০৯)
তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন দীর্ঘ সময়। ২০০৬ সালের সংকটে তিনি নিজেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হন। পরে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। তার বিদায় ছিল বিতর্কের মধ্যেই।
জিল্লুর রহমান (২০০৯-২০১৩)
আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক, তবে কোনো বিদায় নেই।
আবদুল হামিদ (২০১৩-২০২৩)
জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর স্পিকার আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন, পরে নির্বাচিত হন। তিনিই একমাত্র রাষ্ট্রপতি যিনি ২০২৩ সালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। লালগালিচা, গার্ড অব অনার ও পুষ্পশোভিত জিপ-এটাই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম এমন বিদায়।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (২০২৩-২০২৬)
আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হন সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে তার অপসারণের দাবি উঠতে থাকে। ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই তিনি ‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তার বিদায়ও ছিল নীরব, কোনো সংবর্ধনা নেই।
বঙ্গভবনের এই ইতিহাসে বিদায়ের চেয়ে নীরবতা ও বিতর্কের গল্পই বেশি। রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও এখানে কেউ সম্মানের সঙ্গে ফিরে যেতে পারেননি- একমাত্র আবদুল হামিদ ছাড়া। রাষ্ট্রপতির বিদায়ের জন্য আইনে কোনো রাষ্ট্রীয় আচার নেই; আর সেই সুযোগে ক্ষমতাসীন দল প্রতিপক্ষের রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় করতে আগ্রহী হয় না।

আপনার মতামত লিখুন