রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে শিগগির ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
আর সেই পর্যন্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন, যেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি দিক পর্যালোচনা করা হয়।
রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমরা তো প্রস্তুতি শুরু করছি। প্রথা অনুযায়ী এখন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি। ইসি সচিবালয় দু-একদিনের মধ্যে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের সূচি চাইবে। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার যখন সময় দেবেন, তখনই এই বৈঠক হবে।’
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। সেজন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা বা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে আশা করা যায়।
শনিবার (২৫ জুলাই) আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের ১২৩ এর (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগের মধ্যে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। যেহেতু ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে আমাদের পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে, আশা করি সেই অধিবেশনে এটা করা সম্ভব হবে।’
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত সময় বিবেচনা করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল দেবে ইসি।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে শিগগির ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
আর সেই পর্যন্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন, যেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি দিক পর্যালোচনা করা হয়।
রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমরা তো প্রস্তুতি শুরু করছি। প্রথা অনুযায়ী এখন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি। ইসি সচিবালয় দু-একদিনের মধ্যে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের সূচি চাইবে। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার যখন সময় দেবেন, তখনই এই বৈঠক হবে।’
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। সেজন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা বা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে আশা করা যায়।
শনিবার (২৫ জুলাই) আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের ১২৩ এর (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগের মধ্যে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। যেহেতু ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে আমাদের পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে, আশা করি সেই অধিবেশনে এটা করা সম্ভব হবে।’
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত সময় বিবেচনা করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল দেবে ইসি।

আপনার মতামত লিখুন