ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শৃঙ্খলা ভঙ্গর সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে পরিচালিত সকল তফসিলী ব্যাংকের প্রধান নির্বহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক মামলা (ডিসিপ্লিনারি কেস) বিচারাধীন থাকলে সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে চাকরিবিধি অনুযায়ী সেই মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০০৫ সালের সার্কুলারের মাধ্যমে এক ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে অন্য ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছিলো। সেটারই আংশিক পরিবর্তন করে সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
তবে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় পুরোনো সার্কুলারের একটি অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক মামলা বিচারাধীন থাকলে দুই মাসের মধ্যে চাকরিবিধি অনুযায়ী মামলাটি নিষ্পত্তিযোগ্য হতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ২০০৫ সালের সার্কুলারের অন্যান্য সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শৃঙ্খলা ভঙ্গর সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে পরিচালিত সকল তফসিলী ব্যাংকের প্রধান নির্বহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক মামলা (ডিসিপ্লিনারি কেস) বিচারাধীন থাকলে সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে চাকরিবিধি অনুযায়ী সেই মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০০৫ সালের সার্কুলারের মাধ্যমে এক ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে অন্য ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছিলো। সেটারই আংশিক পরিবর্তন করে সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
তবে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় পুরোনো সার্কুলারের একটি অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক মামলা বিচারাধীন থাকলে দুই মাসের মধ্যে চাকরিবিধি অনুযায়ী মামলাটি নিষ্পত্তিযোগ্য হতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ২০০৫ সালের সার্কুলারের অন্যান্য সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন