বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু
রক্ত পরীক্ষায় শরীরে অস্বাভাবিকতার আভাস পাওয়া যেতে পারে। তবে শুধু রক্ত পরীক্ষার
ওপর ভিত্তি করে সব ধরনের ক্যানসার শনাক্ত বা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে
চিকিৎসকের পরামর্শে আরও নির্দিষ্ট
পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং করাতে হয়।
ক্যানসারের ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রোগটি যত দ্রুত সম্ভব শনাক্ত করা। কোনো উপসর্গ, পারিবারিক
ইতিহাস বা বয়সভিত্তিক ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসক
পরিস্থিতি অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। তাই নিজে
থেকে একাধিক টিউমার মার্কার পরীক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
সাধারণ স্বাস্থ্য
পরীক্ষায় কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি), লিভার ফাংশন টেস্ট (এলএফটি), কিডনি ফাংশন
টেস্ট (কেএফটি), থাইরয়েড প্রোফাইল ও লিপিড প্রোফাইলের মতো পরীক্ষা করা হয়।
কিছু নির্দিষ্ট
পরিস্থিতিতে চিকিৎসক টিউমার
মার্কার পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। যেমন সিএ১৫.৩ স্তন ক্যানসার এবং সিএ৭২.৪
পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়। তবে এসব
পরীক্ষার ফল একা ক্যানসার নিশ্চিত করে না।
রক্ত পরীক্ষায় কোনো
অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে বা দীর্ঘদিন ধরে অকারণে দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া,
অস্বাভাবিক রক্তপাত, শরীরে গাঁট কিংবা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ক্যানসার শনাক্তকরণে
সবার জন্য একই ধরনের পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ব্যক্তিগত
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং নির্ধারণ করেন।
নারীদের ক্ষেত্রে স্তন
ক্যানসারের ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যামোগ্রাফি বা অন্যান্য পরীক্ষা করা
হতে পারে। জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্ত করতেও নির্দিষ্ট স্ক্রিনিং পদ্ধতি রয়েছে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে
প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি মূল্যায়নে কিছু পরিস্থিতিতে পিএসএ পরীক্ষা করা হয়। তবে
এই পরীক্ষা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োজনীয় নয়। বয়স ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনা করেই
এর প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
গুরুত্বপূর্ণ হলেও রক্ত পরীক্ষাকে ক্যানসার শনাক্ত করার একমাত্র পদ্ধতি হিসেবে
দেখা ঠিক নয়। বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের জন্য উপসর্গ, বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী আলাদা
স্ক্রিনিং বা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
শরীরে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে,
দীর্ঘদিনের উপসর্গ থাকলে কিংবা পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। দ্রুত শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্যানসারের ক্ষেত্রে
চিকিৎসার সুযোগ ও ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু
রক্ত পরীক্ষায় শরীরে অস্বাভাবিকতার আভাস পাওয়া যেতে পারে। তবে শুধু রক্ত পরীক্ষার
ওপর ভিত্তি করে সব ধরনের ক্যানসার শনাক্ত বা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে
চিকিৎসকের পরামর্শে আরও নির্দিষ্ট
পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং করাতে হয়।
ক্যানসারের ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রোগটি যত দ্রুত সম্ভব শনাক্ত করা। কোনো উপসর্গ, পারিবারিক
ইতিহাস বা বয়সভিত্তিক ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসক
পরিস্থিতি অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। তাই নিজে
থেকে একাধিক টিউমার মার্কার পরীক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
সাধারণ স্বাস্থ্য
পরীক্ষায় কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি), লিভার ফাংশন টেস্ট (এলএফটি), কিডনি ফাংশন
টেস্ট (কেএফটি), থাইরয়েড প্রোফাইল ও লিপিড প্রোফাইলের মতো পরীক্ষা করা হয়।
কিছু নির্দিষ্ট
পরিস্থিতিতে চিকিৎসক টিউমার
মার্কার পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। যেমন সিএ১৫.৩ স্তন ক্যানসার এবং সিএ৭২.৪
পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়। তবে এসব
পরীক্ষার ফল একা ক্যানসার নিশ্চিত করে না।
রক্ত পরীক্ষায় কোনো
অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে বা দীর্ঘদিন ধরে অকারণে দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া,
অস্বাভাবিক রক্তপাত, শরীরে গাঁট কিংবা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ক্যানসার শনাক্তকরণে
সবার জন্য একই ধরনের পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ব্যক্তিগত
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং নির্ধারণ করেন।
নারীদের ক্ষেত্রে স্তন
ক্যানসারের ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যামোগ্রাফি বা অন্যান্য পরীক্ষা করা
হতে পারে। জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্ত করতেও নির্দিষ্ট স্ক্রিনিং পদ্ধতি রয়েছে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে
প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি মূল্যায়নে কিছু পরিস্থিতিতে পিএসএ পরীক্ষা করা হয়। তবে
এই পরীক্ষা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োজনীয় নয়। বয়স ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনা করেই
এর প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
গুরুত্বপূর্ণ হলেও রক্ত পরীক্ষাকে ক্যানসার শনাক্ত করার একমাত্র পদ্ধতি হিসেবে
দেখা ঠিক নয়। বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের জন্য উপসর্গ, বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী আলাদা
স্ক্রিনিং বা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
শরীরে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে,
দীর্ঘদিনের উপসর্গ থাকলে কিংবা পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। দ্রুত শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্যানসারের ক্ষেত্রে
চিকিৎসার সুযোগ ও ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনার মতামত লিখুন