পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদ কমে যাওয়ায় জরুরি চাহিদা মেটাতে দরপত্র ছাড়াই ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে প্রয়োজনে দুই পক্ষের (সরকার ও টোটাল এনার্জিস) সম্মতিতে আরও অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি কেনার নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। দরপত্র ছাড়া সরাসরি কোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
চলতি অর্থবছরের অক্টোবর থেকে জুন পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই কার্গো করে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। ফরাসি বহুজাতিক জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানি টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব এলএনজি কেনা হবে।
এদিন, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিঙ্গাপুরের ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেড থেকে ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল এবং ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল কেনার প্রস্তাব আসে। এ জন্য সুপারিশকৃত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে এসব জ্বালানি কেনা হবে।
একই সময়ের জন্য সিঙ্গাপুরের ভাইটল এশিয়া থেকে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং ৪০ হাজার টন জেট ফুয়েল কেনার আরেকটি প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা।
এ ছাড়া ইউনিপে সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাবে অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সুপারিশকৃত দর ৭৯২ কোটি টাকা।
ভাইটল এশিয়া থেকে আরও ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব এসেছে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টন ফার্নেস ওয়েল কেনার প্রস্তাবও রয়েছে। এটির সুপারিশকৃত দরদাতা ট্রাফিগুরা এবং প্রস্তাবিত ব্যয় ৮০১ কোটি টাকা।
প্রতিটি জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স মূল্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তী সভায় সেই দর উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদ কমে যাওয়ায় জরুরি চাহিদা মেটাতে দরপত্র ছাড়াই ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে প্রয়োজনে দুই পক্ষের (সরকার ও টোটাল এনার্জিস) সম্মতিতে আরও অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি কেনার নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। দরপত্র ছাড়া সরাসরি কোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
চলতি অর্থবছরের অক্টোবর থেকে জুন পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই কার্গো করে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। ফরাসি বহুজাতিক জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানি টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব এলএনজি কেনা হবে।
এদিন, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিঙ্গাপুরের ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেড থেকে ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল এবং ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল কেনার প্রস্তাব আসে। এ জন্য সুপারিশকৃত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে এসব জ্বালানি কেনা হবে।
একই সময়ের জন্য সিঙ্গাপুরের ভাইটল এশিয়া থেকে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং ৪০ হাজার টন জেট ফুয়েল কেনার আরেকটি প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা।
এ ছাড়া ইউনিপে সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাবে অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সুপারিশকৃত দর ৭৯২ কোটি টাকা।
ভাইটল এশিয়া থেকে আরও ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব এসেছে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টন ফার্নেস ওয়েল কেনার প্রস্তাবও রয়েছে। এটির সুপারিশকৃত দরদাতা ট্রাফিগুরা এবং প্রস্তাবিত ব্যয় ৮০১ কোটি টাকা।
প্রতিটি জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স মূল্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তী সভায় সেই দর উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন