ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মাত্র ২০ গজ রাস্তার বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার বৈলর-ধানীখোলা-ফুলবাড়ীয়া সড়কের বাওয়ালিয়া পাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে থাকছে। এতে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে কতিপয় ব্যক্তি মাটি ফেলে উচু করার ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই নির্দিষ্ট অংশে সবসময় পানি জমে থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী ও চালকেরা।
ধানীখোলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘অল্প একটু রাস্তার কারণে এই এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, দ্রুত এই ২০ গজ রাস্তা মেরামত করে জনভোগান্তি লাঘব করা হোক।’
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি হাজী শামছুদ্দিন বলেন, ‘ঘর থেকে বের হলেই আমাদের এই দুর্ভোগে পড়তে হয়।’ এমদাদুল হক নামের আরেক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দিন এই সমস্যায় আছি, অথচ আমাদের দেখার কেউ নেই।’ ভ্যানচালক বাবুল মিয়া জানান, রাস্তায় বড় বড় গর্তের কারণে প্রায়ই তাঁর ভ্যানটি বিকল হয়ে যায়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যোবায়েত হোসেন বলেন, ‘ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই স্থানের সমস্যা সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মাত্র ২০ গজ রাস্তার বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার বৈলর-ধানীখোলা-ফুলবাড়ীয়া সড়কের বাওয়ালিয়া পাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে থাকছে। এতে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে কতিপয় ব্যক্তি মাটি ফেলে উচু করার ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই নির্দিষ্ট অংশে সবসময় পানি জমে থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী ও চালকেরা।
ধানীখোলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘অল্প একটু রাস্তার কারণে এই এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, দ্রুত এই ২০ গজ রাস্তা মেরামত করে জনভোগান্তি লাঘব করা হোক।’
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি হাজী শামছুদ্দিন বলেন, ‘ঘর থেকে বের হলেই আমাদের এই দুর্ভোগে পড়তে হয়।’ এমদাদুল হক নামের আরেক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দিন এই সমস্যায় আছি, অথচ আমাদের দেখার কেউ নেই।’ ভ্যানচালক বাবুল মিয়া জানান, রাস্তায় বড় বড় গর্তের কারণে প্রায়ই তাঁর ভ্যানটি বিকল হয়ে যায়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যোবায়েত হোসেন বলেন, ‘ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই স্থানের সমস্যা সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন