সংবাদ

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’, আটক ৩


জেলা বার্তা পরিবেশক, শরীয়তপুর
জেলা বার্তা পরিবেশক, শরীয়তপুর
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’, আটক ৩
ছবি : সংগৃহীত

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে (২৫) সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকেও পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার গভীর রাতে উপজেলার আচুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে অভিযান চালিয়ে জড়িত অভিযোগে রাব্বি (২৮), হযরত আলী খন্দকার (৪২) ও ইমন খন্দকারকে (২৬) আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের মাদক-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এর জের ধরে সোমবার রাতে কয়েকজন ব্যক্তি ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আচুড়া এলাকার একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে তার মুঠোফোন ব্যবহার করে স্ত্রীকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সেখানে আসতে বলা হয়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি স্বামীকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। এরপর দুই ব্যক্তি তাকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিতু আক্তার বলেন, ভোররাতে ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। আলামত সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পেলে বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’, আটক ৩

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে (২৫) সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকেও পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার গভীর রাতে উপজেলার আচুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে অভিযান চালিয়ে জড়িত অভিযোগে রাব্বি (২৮), হযরত আলী খন্দকার (৪২) ও ইমন খন্দকারকে (২৬) আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের মাদক-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এর জের ধরে সোমবার রাতে কয়েকজন ব্যক্তি ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আচুড়া এলাকার একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে তার মুঠোফোন ব্যবহার করে স্ত্রীকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সেখানে আসতে বলা হয়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি স্বামীকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। এরপর দুই ব্যক্তি তাকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিতু আক্তার বলেন, ভোররাতে ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। আলামত সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পেলে বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত