রাজধানীর নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন লেদুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ৩২টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারিতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এই হত্যা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত লেদু।
গ্রেপ্তারকৃতদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে জানা যায়, লেদু হাসানই বাদশাকে হত্যার জন্য মূল হত্যাকারী পারভেজকে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল।
গ্রেপ্তারকৃত লেদুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১০টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ২টি, দ্রুত বিচার আইনে ১টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট, আদাবর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৮টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ৬টি, হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ২টি এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১টি মামলা, দারুস সালাম থানায় ১টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
২০১০ সালে আলোচিত ওহিদুজ্জামান হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি গ্রেপ্তার হন।২০১২ সাল পর্যন্ত হাজতবাস করেন। এছাড়া ২০২১ সালে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪। একটি অস্ত্র মামলায় তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী লেদুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কিশোরগ্যাংদের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। র্যাব জানিয়েছে, ভুক্তভোগীরা চাইলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তার নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন লেদুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ৩২টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারিতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এই হত্যা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত লেদু।
গ্রেপ্তারকৃতদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে জানা যায়, লেদু হাসানই বাদশাকে হত্যার জন্য মূল হত্যাকারী পারভেজকে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল।
গ্রেপ্তারকৃত লেদুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১০টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ২টি, দ্রুত বিচার আইনে ১টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট, আদাবর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৮টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ৬টি, হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ২টি এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১টি মামলা, দারুস সালাম থানায় ১টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
২০১০ সালে আলোচিত ওহিদুজ্জামান হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি গ্রেপ্তার হন।২০১২ সাল পর্যন্ত হাজতবাস করেন। এছাড়া ২০২১ সালে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪। একটি অস্ত্র মামলায় তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী লেদুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কিশোরগ্যাংদের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। র্যাব জানিয়েছে, ভুক্তভোগীরা চাইলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তার নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন