ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিতর্কিত ও আওয়ামী পন্থি’ শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করার জোরালো দাবির মুখে কঠোর পদক্ষেপে হেঁটেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সংগঠনটির সার্বিক কর্মকাণ্ড ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম
ওবায়দুল ইসলামকে প্রধান করে চার সদস্যের
এই শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে ঢাবি
প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে গত ২৭
জুলাই বিকেলে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দের’ ব্যানারে একদল শিক্ষক উপাচার্যের
কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে
দেন। বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শতাধিক
শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রদত্ত ওই স্মারকলিপিতে জুলাই
আন্দোলনের বিরোধিতা করা এবং ফ্যাসিবাদের
দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগে
আওয়ামী ও বামপন্থি ২৩১
জন শিক্ষকের তালিকা জমা দেওয়া হয়।
একই
সঙ্গে তাদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা ও নীল
দলের সব ধরনের কার্যক্রম
স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার জোর দাবি
জানান তারা। স্মারকলিপির সেই অভিযোগের পরপরই
বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম
পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট।
কমিটির
কাজের গতি ও পরবর্তী
পদক্ষেপের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী স্পষ্টভাবে বলেন, "ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দের ব্যানারে অভিযোগ দেওয়ার পর ভিসি স্যারের
নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত
কমিটি করা হয়েছে। কমিটির
প্রতিবেদনে কোনো শিক্ষককে দোষী
পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া
হবে। কোনো সংগঠন জড়িত
থাকলেও তাদেরও নিষিদ্ধ করা হবে।"
সিন্ডিকেট
সূত্রে জানা গেছে, জুলাই
বিপ্লবের উত্তাল সময়ে কোনো শিক্ষক
যদি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের
স্বার্থ পরিপন্থি কাজ কিংবা নিপীড়নে
যুক্ত থেকে থাকেন, তবে
তাদের ছাড় দেওয়া হবে
না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা প্রাথমিক অভিযোগগুলো
গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে এবং
প্রশাসনিকভাবে দোষী প্রমাণিতদের সর্বোচ্চ
শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। একই
সাথে গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কোনো সংগঠনের নাম
উঠে আসলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে
তাদের সকল অপতৎপরতা নিষিদ্ধ
করা হবে।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিতর্কিত ও আওয়ামী পন্থি’ শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করার জোরালো দাবির মুখে কঠোর পদক্ষেপে হেঁটেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সংগঠনটির সার্বিক কর্মকাণ্ড ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম
ওবায়দুল ইসলামকে প্রধান করে চার সদস্যের
এই শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে ঢাবি
প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে গত ২৭
জুলাই বিকেলে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দের’ ব্যানারে একদল শিক্ষক উপাচার্যের
কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে
দেন। বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শতাধিক
শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রদত্ত ওই স্মারকলিপিতে জুলাই
আন্দোলনের বিরোধিতা করা এবং ফ্যাসিবাদের
দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগে
আওয়ামী ও বামপন্থি ২৩১
জন শিক্ষকের তালিকা জমা দেওয়া হয়।
একই
সঙ্গে তাদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা ও নীল
দলের সব ধরনের কার্যক্রম
স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার জোর দাবি
জানান তারা। স্মারকলিপির সেই অভিযোগের পরপরই
বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম
পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট।
কমিটির
কাজের গতি ও পরবর্তী
পদক্ষেপের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী স্পষ্টভাবে বলেন, "ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দের ব্যানারে অভিযোগ দেওয়ার পর ভিসি স্যারের
নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত
কমিটি করা হয়েছে। কমিটির
প্রতিবেদনে কোনো শিক্ষককে দোষী
পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া
হবে। কোনো সংগঠন জড়িত
থাকলেও তাদেরও নিষিদ্ধ করা হবে।"
সিন্ডিকেট
সূত্রে জানা গেছে, জুলাই
বিপ্লবের উত্তাল সময়ে কোনো শিক্ষক
যদি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের
স্বার্থ পরিপন্থি কাজ কিংবা নিপীড়নে
যুক্ত থেকে থাকেন, তবে
তাদের ছাড় দেওয়া হবে
না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা প্রাথমিক অভিযোগগুলো
গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে এবং
প্রশাসনিকভাবে দোষী প্রমাণিতদের সর্বোচ্চ
শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। একই
সাথে গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কোনো সংগঠনের নাম
উঠে আসলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে
তাদের সকল অপতৎপরতা নিষিদ্ধ
করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন