ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতিতে ঝুলে আছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক (এন-৭) ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ। ছয় বছর পার হলেও প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি মাত্র দুই শতাংশ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্ধেক জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলেও ঠিকাদারদের গড়িমসিতে কাজ এগোচ্ছে না। ফলে মহাসড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ইতিমধ্যে কালীগঞ্জ এলাকার ৪৫ শতাংশ এবং সদর এলাকার প্রায় ৫০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করে বিশ্বব্যাংকের ‘উইকেয়ার’ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে। আগে ভূমি অধিগ্রহণে ধীরগতির অজুহাত দেওয়া হলেও এখন মূল দায়ভার গিয়ে পড়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনায়েম লিমিটেড ও ম্যাক্স ফার্মের ওপর।
বেনাপোল, ভোমরা ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহনের জন্য এই মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে সড়কের বেহাল দশায় যাতায়াত দুরূহ হয়ে পড়েছে। পরিবহন মালিক ওসমান গণি বলেন, ‘ঠিকাদারদের খামখেয়ালিপনায় রাস্তা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গর্তের কারণে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতিতে ঝুলে আছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক (এন-৭) ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ। ছয় বছর পার হলেও প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি মাত্র দুই শতাংশ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্ধেক জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলেও ঠিকাদারদের গড়িমসিতে কাজ এগোচ্ছে না। ফলে মহাসড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ইতিমধ্যে কালীগঞ্জ এলাকার ৪৫ শতাংশ এবং সদর এলাকার প্রায় ৫০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করে বিশ্বব্যাংকের ‘উইকেয়ার’ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে। আগে ভূমি অধিগ্রহণে ধীরগতির অজুহাত দেওয়া হলেও এখন মূল দায়ভার গিয়ে পড়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনায়েম লিমিটেড ও ম্যাক্স ফার্মের ওপর।
বেনাপোল, ভোমরা ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহনের জন্য এই মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে সড়কের বেহাল দশায় যাতায়াত দুরূহ হয়ে পড়েছে। পরিবহন মালিক ওসমান গণি বলেন, ‘ঠিকাদারদের খামখেয়ালিপনায় রাস্তা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গর্তের কারণে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন