বাগেরহাটের মোংলায় এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার পলাতক আসামি লিটন মণ্ডলকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) গভীর রাতে মোংলার দিগরাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে মোংলা থানা-পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া লিটন মণ্ডল মোংলা উপজেলার মালগাজী মিশনবাড়ি এলাকার পরিতোষ মণ্ডলের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে মোংলা থানা-পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২৩ মে মোংলা থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি লিটন ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে লিটন মণ্ডলের প্রথমে পরিচয় ও পরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিগত দুই-তিন বছর ধরে ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে লিটন পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ৩০ জুলাই সকালে বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি পলাতক ছিলেন। পুলিশের চেষ্টায় অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলায় এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার পলাতক আসামি লিটন মণ্ডলকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) গভীর রাতে মোংলার দিগরাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে মোংলা থানা-পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া লিটন মণ্ডল মোংলা উপজেলার মালগাজী মিশনবাড়ি এলাকার পরিতোষ মণ্ডলের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে মোংলা থানা-পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ২৩ মে মোংলা থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি লিটন ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে লিটন মণ্ডলের প্রথমে পরিচয় ও পরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিগত দুই-তিন বছর ধরে ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে লিটন পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ৩০ জুলাই সকালে বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি পলাতক ছিলেন। পুলিশের চেষ্টায় অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন