রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরে সাদা কাগজে দাপ্তরিক সিল মেরে ৫১ জন গ্রাহকের এক কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক পোস্টমাস্টারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। ভুক্তভোগীদের পক্ষে নাছরিন আক্তার নামের এক গ্রাহক মামলা দায়ের করার পর বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজবাড়ীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর আমলি আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী এ আদেশ দেন।
মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের তৎকালীন পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্রসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় 'লেটার রাইটার' শিহাব মৃধা অফিসে আসা গ্রাহকদের সঞ্চয় হিসাব খোলার কথা বলে সাদা কাগজে দাপ্তরিক সিল মেরে টাকা সংগ্রহ করতেন।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় অন্তত ৫১ জন গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা সংগ্রহ করা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্রের মূল বই না পাওয়ায় প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার আসামিরা হলেন–সাবেক পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্র, লেটার রাইটার শিহাব মৃধা, পিএলআই এজেন্ট মাহবুব মৃধা, লেটার রাইটার মাহবুবুর রহমান, পোস্টাল অপারেটর নাজমুল হাসান, ট্রেজারার পবিত্র কুমার সরকার, এমএলএসএস মো. রেজাউল আলম, পোস্টাল অপারেটর মো. গোলাম মোস্তফা বাচ্চু, এস এম নুরুজ্জামান, আসমা আক্তার, প্যাকার বিউটি রানী দাস এবং পোস্টাল কর্মচারী নুরুল মাসুদ ও রোকসানা আক্তার।
অভিযোগ উঠেছে, গত ১২ জুলাই কুষ্টিয়া বিভাগীয় ডাক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তদন্তে এসে মূল অভিযুক্ত শিহাব মৃধাকে পান, কিন্তু তাকে পুলিশে সোপর্দ না করায় তিনি পালিয়ে যান। অন্যদিকে ঘটনার মূল মদদদাতা সাবেক পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্রকে সম্প্রতি কুষ্টিয়ায় বদলি করা হয়েছে।
এদিকে খুলনা দক্ষিণাঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেল কবির আহমেদের নির্দেশে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান পোস্টমাস্টার শামীম আহমেদ জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পেরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/ /

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরে সাদা কাগজে দাপ্তরিক সিল মেরে ৫১ জন গ্রাহকের এক কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক পোস্টমাস্টারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। ভুক্তভোগীদের পক্ষে নাছরিন আক্তার নামের এক গ্রাহক মামলা দায়ের করার পর বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজবাড়ীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর আমলি আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী এ আদেশ দেন।
মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের তৎকালীন পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্রসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় 'লেটার রাইটার' শিহাব মৃধা অফিসে আসা গ্রাহকদের সঞ্চয় হিসাব খোলার কথা বলে সাদা কাগজে দাপ্তরিক সিল মেরে টাকা সংগ্রহ করতেন।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় অন্তত ৫১ জন গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা সংগ্রহ করা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্রের মূল বই না পাওয়ায় প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার আসামিরা হলেন–সাবেক পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্র, লেটার রাইটার শিহাব মৃধা, পিএলআই এজেন্ট মাহবুব মৃধা, লেটার রাইটার মাহবুবুর রহমান, পোস্টাল অপারেটর নাজমুল হাসান, ট্রেজারার পবিত্র কুমার সরকার, এমএলএসএস মো. রেজাউল আলম, পোস্টাল অপারেটর মো. গোলাম মোস্তফা বাচ্চু, এস এম নুরুজ্জামান, আসমা আক্তার, প্যাকার বিউটি রানী দাস এবং পোস্টাল কর্মচারী নুরুল মাসুদ ও রোকসানা আক্তার।
অভিযোগ উঠেছে, গত ১২ জুলাই কুষ্টিয়া বিভাগীয় ডাক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তদন্তে এসে মূল অভিযুক্ত শিহাব মৃধাকে পান, কিন্তু তাকে পুলিশে সোপর্দ না করায় তিনি পালিয়ে যান। অন্যদিকে ঘটনার মূল মদদদাতা সাবেক পোস্টমাস্টার বিকাশ চন্দ্রকে সম্প্রতি কুষ্টিয়ায় বদলি করা হয়েছে।
এদিকে খুলনা দক্ষিণাঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেল কবির আহমেদের নির্দেশে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান পোস্টমাস্টার শামীম আহমেদ জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পেরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/ /

আপনার মতামত লিখুন