সংবাদ

মেট্রো স্টেশনে বোমা নয়, ‘পান-জর্দা’র কৌটা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

মেট্রো স্টেশনে বোমা নয়, ‘পান-জর্দা’র কৌটা
বোমাসদৃশ বস্তু

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ালেও পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই বস্তু দুটিতে কোনো বিস্ফোরক ছিল না। একটিতে ছিল পান-জর্দার কৌটা, অন্যটিতে পুরোনো জিনিসপত্র।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ দুটি বস্তু দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করে।

মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষায় ভেতরে কৌটাসদৃশ ইমেজ দেখা যায়। পরে এসওপি অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। ব্যাগ খুলে দেখা যায়, ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান ছিল।

অন্যদিকে, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন এলাকায় পরিত্যক্ত আরেকটি বস্তুর ক্ষেত্রে হ্যান্ড এন্ট্রি পরীক্ষায় কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি। সিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বস্তাটি পরীক্ষা করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সিটিসির বিশেষ টিম বস্তু দুটি পরীক্ষা করে। তিনি জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

ডিএমপির মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার আবুল বাশার বলেন, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে ধারণা করা হয়েছিল সেখানে বিস্ফোরকজাতীয় কিছু থাকতে পারে। পরে বোমা বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে কোনো বিস্ফোরক পাননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

গত কয়েক দিনে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় একের পর এক বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি কার্যকর আইইডি উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের উল্টোরথের শোভাযাত্রা ওই এলাকা অতিক্রম করার কথা ছিল। আনসার সদস্যদের সতর্কতায় ছাতার ভেতর মিটমিট করে আলো জ্বলতে দেখে ডিভাইসটি শনাক্ত করা হয়।

এ ছাড়া ৩১ জুলাই আশুলিয়ার খেজুর বাগান এলাকায় একটি চায়ের দোকানের বেঞ্চে রাখা পরিত্যক্ত ব্যাগের ভেতর থেকে প্রেসারকুকার আকৃতির বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা নিরাপদ স্থানে নিয়ে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


মেট্রো স্টেশনে বোমা নয়, ‘পান-জর্দা’র কৌটা

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ালেও পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই বস্তু দুটিতে কোনো বিস্ফোরক ছিল না। একটিতে ছিল পান-জর্দার কৌটা, অন্যটিতে পুরোনো জিনিসপত্র।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় বোমাসদৃশ দুটি বস্তু দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করে।

মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষায় ভেতরে কৌটাসদৃশ ইমেজ দেখা যায়। পরে এসওপি অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। ব্যাগ খুলে দেখা যায়, ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান ছিল।

অন্যদিকে, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন এলাকায় পরিত্যক্ত আরেকটি বস্তুর ক্ষেত্রে হ্যান্ড এন্ট্রি পরীক্ষায় কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি। সিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বস্তাটি পরীক্ষা করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সিটিসির বিশেষ টিম বস্তু দুটি পরীক্ষা করে। তিনি জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

ডিএমপির মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার আবুল বাশার বলেন, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে ধারণা করা হয়েছিল সেখানে বিস্ফোরকজাতীয় কিছু থাকতে পারে। পরে বোমা বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে কোনো বিস্ফোরক পাননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

গত কয়েক দিনে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় একের পর এক বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি কার্যকর আইইডি উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের উল্টোরথের শোভাযাত্রা ওই এলাকা অতিক্রম করার কথা ছিল। আনসার সদস্যদের সতর্কতায় ছাতার ভেতর মিটমিট করে আলো জ্বলতে দেখে ডিভাইসটি শনাক্ত করা হয়।

এ ছাড়া ৩১ জুলাই আশুলিয়ার খেজুর বাগান এলাকায় একটি চায়ের দোকানের বেঞ্চে রাখা পরিত্যক্ত ব্যাগের ভেতর থেকে প্রেসারকুকার আকৃতির বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা নিরাপদ স্থানে নিয়ে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত