সংবাদ

সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত

বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে কোনো বিচার ছাড়াই সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছিল। গুমের শিকার হওয়া ৭০০-এর বেশি মানুষের স্বজনেরা আজও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে তাদের প্রিয়জনের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় থাকেন।’

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আইনমন্ত্রী হওয়ার পর আমি জানতে পারি, আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির জগতে আবৃত্তির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন বা স্বীকৃতি নেই। এ কারণে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে নাচ ও গানের মতো বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির একটি উন্নত অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।’

আবৃত্তিকারদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি সংস্কার করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে শিল্পকলার অন্যান্য মাধ্যমের মতো আবৃত্তিও তার যোগ্য মর্যাদা পাবে। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে কোনো বিচার ছাড়াই সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছিল। গুমের শিকার হওয়া ৭০০-এর বেশি মানুষের স্বজনেরা আজও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে তাদের প্রিয়জনের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় থাকেন।’

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আইনমন্ত্রী হওয়ার পর আমি জানতে পারি, আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির জগতে আবৃত্তির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন বা স্বীকৃতি নেই। এ কারণে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে নাচ ও গানের মতো বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির একটি উন্নত অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।’

আবৃত্তিকারদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি সংস্কার করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে শিল্পকলার অন্যান্য মাধ্যমের মতো আবৃত্তিও তার যোগ্য মর্যাদা পাবে। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত