ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া ও শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাতে ভারতের বাণিজ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘মানিকন্ট্রোল’ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভারত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেটা নির্বাহীদের এক বৈঠকে জাকারবার্গের এই ক্ষমা চাওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মে বেআইনি শিশু যৌন নিপীড়নমূলক ও বিভ্রান্তিকর ডিপফেইক কনটেন্ট এবং মেটার প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ত্রুটির কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাকারবার্গ। এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি মেটা।
গেল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি সেলফি-স্টাইল ভিডিও প্রথমে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করা হয়। পরে সেটি ফেসবুকে শেয়ার করা হলে কিছু সময়ের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় মেটার কর্মকর্তাদের তলব করে দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে পরিচালনাগত ভুলের কারণে অনিচ্ছাকৃত ঘটনা বলে দাবি করে ক্ষমা চেয়েছিল মেটা।
এ ছাড়া, গত জুলাই মাসে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটাকে এমন সব বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় মেটাকে কঠোর বার্তা দিয়ে কীভাবে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে স্থান পেল তার যথাযথ ব্যাখ্যা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিল ভারত সরকার।
ওই সময় মেটা বলেছিল, শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের ক্ষেত্রে তাদের 'জিরো টলারেন্স' অবস্থান রয়েছে এবং নিজস্ব শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
ভারতের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য অনুসারে, ফেসবুকে প্রকাশিত কিছু ভিডিওতে নরেন্দ্র মোদীকে ‘অপমানজনকভাবে’ উপস্থাপন করার অভিযোগে ‘মেটা ইন্ডিয়া’র প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হায়দ্রাবাদ পুলিশ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য নিজেদের আইনকানুন কঠোর করেছে ভারত সরকার। ফলে ব্যবহারকারীদের পোস্ট করা কনটেন্টের আইনি সুরক্ষা বলয় সীমিত হয়ে এসেছে এবং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারী নির্বাহীদের আইনি দায়বদ্ধতা বহুগুণ বেড়েছে।
ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ভারতের নতুন নিয়ম অনুসারে, আদালত বা সরকারের চিহ্নিত করা কোনো বেআইনি কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম থেকে সরানোর সময়সীমা ৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্ম তাদের আইনি সুরক্ষার অধিকার হারাতে পারে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া ও শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাতে ভারতের বাণিজ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘মানিকন্ট্রোল’ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভারত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেটা নির্বাহীদের এক বৈঠকে জাকারবার্গের এই ক্ষমা চাওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মে বেআইনি শিশু যৌন নিপীড়নমূলক ও বিভ্রান্তিকর ডিপফেইক কনটেন্ট এবং মেটার প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ত্রুটির কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাকারবার্গ। এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি মেটা।
গেল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি সেলফি-স্টাইল ভিডিও প্রথমে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করা হয়। পরে সেটি ফেসবুকে শেয়ার করা হলে কিছু সময়ের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় মেটার কর্মকর্তাদের তলব করে দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে পরিচালনাগত ভুলের কারণে অনিচ্ছাকৃত ঘটনা বলে দাবি করে ক্ষমা চেয়েছিল মেটা।
এ ছাড়া, গত জুলাই মাসে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটাকে এমন সব বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় মেটাকে কঠোর বার্তা দিয়ে কীভাবে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে স্থান পেল তার যথাযথ ব্যাখ্যা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিল ভারত সরকার।
ওই সময় মেটা বলেছিল, শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের ক্ষেত্রে তাদের 'জিরো টলারেন্স' অবস্থান রয়েছে এবং নিজস্ব শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
ভারতের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য অনুসারে, ফেসবুকে প্রকাশিত কিছু ভিডিওতে নরেন্দ্র মোদীকে ‘অপমানজনকভাবে’ উপস্থাপন করার অভিযোগে ‘মেটা ইন্ডিয়া’র প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হায়দ্রাবাদ পুলিশ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য নিজেদের আইনকানুন কঠোর করেছে ভারত সরকার। ফলে ব্যবহারকারীদের পোস্ট করা কনটেন্টের আইনি সুরক্ষা বলয় সীমিত হয়ে এসেছে এবং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারী নির্বাহীদের আইনি দায়বদ্ধতা বহুগুণ বেড়েছে।
ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ভারতের নতুন নিয়ম অনুসারে, আদালত বা সরকারের চিহ্নিত করা কোনো বেআইনি কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম থেকে সরানোর সময়সীমা ৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্ম তাদের আইনি সুরক্ষার অধিকার হারাতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন