দেশের অভ্যন্তরে ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তত ১০টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকার প্রধান নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবোর সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা ও নেত্রকোনার সোমেশ্বরীসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এর প্রভাবে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি সমতলে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেলে তা কিছুটা কমেছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙন তীব্র হয়েছে। ফসলি জমি ও বাঁধের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তীরবর্তী বাসিন্দারা।
ময়মনসিংহ অঞ্চলেও শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আগামী ৫ দিন অব্যাহতভাবে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন দেশের আট বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় ও নদী অববাহিকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পাউবো।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
দেশের অভ্যন্তরে ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তত ১০টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকার প্রধান নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবোর সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা ও নেত্রকোনার সোমেশ্বরীসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এর প্রভাবে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি সমতলে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেলে তা কিছুটা কমেছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙন তীব্র হয়েছে। ফসলি জমি ও বাঁধের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তীরবর্তী বাসিন্দারা।
ময়মনসিংহ অঞ্চলেও শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আগামী ৫ দিন অব্যাহতভাবে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন দেশের আট বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় ও নদী অববাহিকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পাউবো।

আপনার মতামত লিখুন