নওগাঁ শহরে এক স্বর্ণব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেলা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তার জামাল হোসেন ওরফে ফুলন যশোরের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা এবং ছিনতাইকারী চক্রের মাইক্রোবাসচালক।
পুলিশ জানায়, ৩০ জুলাই রাত ১১টার দিকে নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে স্বর্ণব্যবসায়ী সুভাষ পালের গতিরোধ করে তার ব্যাগ থেকে প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয় একটি চক্র। এ ঘটনায় পরদিন ৩১ জুলাই নওগাঁ সদর থানায় মামলা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী দল শহরের বিভিন্ন সড়কের এআই সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ এবং বিভিন্ন জেলার টোল প্লাজার তথ্য বিশ্লেষণ করে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করে। পরে ৩ আগস্ট যশোর থেকে জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার জামাল জানান, চার সদস্যের এই চক্রটি ঢাকার কল্যাণপুর থেকেই স্বর্ণব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে নওগাঁগামী বাসে ওঠে। তিনি বাসস্ট্যান্ডে নামার পর মাইক্রোবাস নিয়ে তার পিছু নেওয়া হয় এবং সুযোগ বুঝে তাজের মোড়ে স্বর্ণ ছিনতাই করা হয়। গ্রেপ্তার জামাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, "জেলায় স্থাপিত এআই ক্যামেরাগুলো অপরাধ তদন্তে বড় ভূমিকা রাখছে। এই প্রযুক্তির কারণেই দ্রুততম সময়ে ছিনতাইকারী শনাক্ত ও গাড়ি জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার ও স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁ শহরে এক স্বর্ণব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেলা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তার জামাল হোসেন ওরফে ফুলন যশোরের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা এবং ছিনতাইকারী চক্রের মাইক্রোবাসচালক।
পুলিশ জানায়, ৩০ জুলাই রাত ১১টার দিকে নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে স্বর্ণব্যবসায়ী সুভাষ পালের গতিরোধ করে তার ব্যাগ থেকে প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয় একটি চক্র। এ ঘটনায় পরদিন ৩১ জুলাই নওগাঁ সদর থানায় মামলা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী দল শহরের বিভিন্ন সড়কের এআই সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ এবং বিভিন্ন জেলার টোল প্লাজার তথ্য বিশ্লেষণ করে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করে। পরে ৩ আগস্ট যশোর থেকে জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার জামাল জানান, চার সদস্যের এই চক্রটি ঢাকার কল্যাণপুর থেকেই স্বর্ণব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে নওগাঁগামী বাসে ওঠে। তিনি বাসস্ট্যান্ডে নামার পর মাইক্রোবাস নিয়ে তার পিছু নেওয়া হয় এবং সুযোগ বুঝে তাজের মোড়ে স্বর্ণ ছিনতাই করা হয়। গ্রেপ্তার জামাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, "জেলায় স্থাপিত এআই ক্যামেরাগুলো অপরাধ তদন্তে বড় ভূমিকা রাখছে। এই প্রযুক্তির কারণেই দ্রুততম সময়ে ছিনতাইকারী শনাক্ত ও গাড়ি জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার ও স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন