হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার খোয়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীপাড়ের অন্তত ৫০টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলার রাণীগাঁও ও সাঁটিয়াজুড়ী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দিনরাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর পাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে, যার ফলে নদী তীরবর্তী ঘরবাড়ি ও মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রভাবশালী একটি চক্র ইচ্ছাকুটা গ্রামের পশ্চিম পাশে খোয়াই নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলছে। গ্রামবাসী বাধা দিলেও চক্রটি প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ড্রেজার মেশিনের বিকট শব্দে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছেন ইচ্ছাকুটা গ্রামের বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে শতাধিক গ্রামবাসীর স্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বালু উত্তোলনের ফলে রাণীগাঁও ও সাঁটিয়াজুড়ী ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম যেকোনো সময় নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, "অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই ওই এলাকায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার খোয়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীপাড়ের অন্তত ৫০টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলার রাণীগাঁও ও সাঁটিয়াজুড়ী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দিনরাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর পাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে, যার ফলে নদী তীরবর্তী ঘরবাড়ি ও মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রভাবশালী একটি চক্র ইচ্ছাকুটা গ্রামের পশ্চিম পাশে খোয়াই নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলছে। গ্রামবাসী বাধা দিলেও চক্রটি প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ড্রেজার মেশিনের বিকট শব্দে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছেন ইচ্ছাকুটা গ্রামের বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে শতাধিক গ্রামবাসীর স্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বালু উত্তোলনের ফলে রাণীগাঁও ও সাঁটিয়াজুড়ী ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম যেকোনো সময় নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, "অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই ওই এলাকায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন