সংবাদ

কারাগারে বন্দি সুস্থ, তবু প্রতারিত পরিবার


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

কারাগারে বন্দি সুস্থ, তবু প্রতারিত পরিবার
ছবি : সংগৃহীত

সাতক্ষীরা কারাগারে বন্দি শুকুর আলীর পরিবারের কাছ থেকে জেল সুপার ও চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুকুর আলী কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মহেশকুড় গ্রামের মৃত আব্দুল রহমানের ছেলে।

পরিবারের ভাষ্য, ২৮ জুলাই রতনপুর ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ মিলন শুকুর আলীর স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে জানান, তার স্বামী কারাগারে স্ট্রোক করেছেন এবং একটি নম্বরে জেল সুপার ও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে কারাগারের চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসার জন্য দ্রুত টাকা পাঠাতে বলা হয় এবং টাকা না পাঠালে শুকুর আলীকে বাঁচানো যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। সরকারিভাবে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হবে জানিয়ে বাকি অর্থ পরিবারের কাছে চাওয়া হয়।

িষয়টি দুবাইপ্রবাসী ভাইকে জানানো হলে গ্রামপুলিশ মিলনের মাধ্যমে একটি মোবাইল নম্বরে তিন দফায় মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পাঠায় পরিবার। টাকা পাঠানোর পরপরই নম্বরটি বন্ধ হয়ে যায়।

সন্দেহ হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা সরাসরি কারাগারে গিয়ে শুকুর আলীর সঙ্গে দেখা করেন এবং জানতে পারেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন, কখনো অসুস্থই হননি। কারা কর্তৃপক্ষও পরিবারকে জানায়, চিকিৎসার খরচ চেয়ে কারাগার থেকে কোনো ফোন করা হয়নি।

পরে এ ঘটনায় গ্রামপুলিশ মিলনসহ চক্রটির বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অভিযোগ প্রসঙ্গে গ্রামপুলিশ মিলন দাবি করেন, কালীগঞ্জ থানার এসআই পরিচয়ে একজন তাকে ফোন করে দ্রুত মোবাইল ফোনটি শুকুর আলীর বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন এবং জানান, শুকুর আলী কারাগারে স্ট্রোক করেছেন। সেই কথা শুনেই তিনি দ্রুত শুকুর আলীর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


কারাগারে বন্দি সুস্থ, তবু প্রতারিত পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরা কারাগারে বন্দি শুকুর আলীর পরিবারের কাছ থেকে জেল সুপার ও চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুকুর আলী কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মহেশকুড় গ্রামের মৃত আব্দুল রহমানের ছেলে।

পরিবারের ভাষ্য, ২৮ জুলাই রতনপুর ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ মিলন শুকুর আলীর স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে জানান, তার স্বামী কারাগারে স্ট্রোক করেছেন এবং একটি নম্বরে জেল সুপার ও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে কারাগারের চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসার জন্য দ্রুত টাকা পাঠাতে বলা হয় এবং টাকা না পাঠালে শুকুর আলীকে বাঁচানো যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। সরকারিভাবে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হবে জানিয়ে বাকি অর্থ পরিবারের কাছে চাওয়া হয়।

িষয়টি দুবাইপ্রবাসী ভাইকে জানানো হলে গ্রামপুলিশ মিলনের মাধ্যমে একটি মোবাইল নম্বরে তিন দফায় মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পাঠায় পরিবার। টাকা পাঠানোর পরপরই নম্বরটি বন্ধ হয়ে যায়।

সন্দেহ হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা সরাসরি কারাগারে গিয়ে শুকুর আলীর সঙ্গে দেখা করেন এবং জানতে পারেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন, কখনো অসুস্থই হননি। কারা কর্তৃপক্ষও পরিবারকে জানায়, চিকিৎসার খরচ চেয়ে কারাগার থেকে কোনো ফোন করা হয়নি।

পরে এ ঘটনায় গ্রামপুলিশ মিলনসহ চক্রটির বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অভিযোগ প্রসঙ্গে গ্রামপুলিশ মিলন দাবি করেন, কালীগঞ্জ থানার এসআই পরিচয়ে একজন তাকে ফোন করে দ্রুত মোবাইল ফোনটি শুকুর আলীর বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন এবং জানান, শুকুর আলী কারাগারে স্ট্রোক করেছেন। সেই কথা শুনেই তিনি দ্রুত শুকুর আলীর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত