চাঁদকে ঘিরে শিশু-কিশোরদের কৌতূহল ও মহাকাশবিজ্ঞান শেখার আগ্রহ বাড়াতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) এ আয়োজন করা হয়। নাসার নেতৃত্বে বিশ^ব্যাপী আয়োজিত চাঁদ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও আইইউবির কাসা।
দেশের ৩৫টি স্কুলের ৪২ জন শিশু-কিশোর এ আয়োজনে অংশ নেয়। ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার অনুষ্ঠানে চাঁদ ও মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন হাতে-কলমে কার্যক্রম ছিল।
শিশুদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে চাঁদে বসতি তৈরির ধারণা, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ ও মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়। পাশাপাশি তারা চন্দ্রযানের মডেল তৈরি ও পরীক্ষা করার সুযোগ পায়।
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল টেলিস্কোপে চাঁদ পর্যবেক্ষণ। শিশুদের পাশাপাশি তাঁদের অভিভাবকেরাও এতে অংশ নেন। আয়োজকেরা জানান, অনেক শিশুর জন্য টেলিস্কোপে চাঁদ দেখার অভিজ্ঞতা ছিল প্রথমবারের মতো।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান অপু বলেন, শিশুদের শুধু বই পড়ে নয়, হাতে-কলমে কাজ ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মহাকাশবিজ্ঞান শেখানোই তাঁদের লক্ষ্য।
আয়োজকরা বলেন, বিজ্ঞান ও মহাকাশকে শিশুদের কাছে সহজ ও আনন্দময় করে তোলার পাশাপাশি তাঁদের সৃজনশীলতা, দলগত কাজ, সমস্যা সমাধান এবং অনুসন্ধিৎসু মনোভাব গড়ে তোলাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের সনদ দেওয়া হয়। চাঁদ পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদকে ঘিরে শিশু-কিশোরদের কৌতূহল ও মহাকাশবিজ্ঞান শেখার আগ্রহ বাড়াতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) এ আয়োজন করা হয়। নাসার নেতৃত্বে বিশ^ব্যাপী আয়োজিত চাঁদ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও আইইউবির কাসা।
দেশের ৩৫টি স্কুলের ৪২ জন শিশু-কিশোর এ আয়োজনে অংশ নেয়। ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার অনুষ্ঠানে চাঁদ ও মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন হাতে-কলমে কার্যক্রম ছিল।
শিশুদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে চাঁদে বসতি তৈরির ধারণা, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ ও মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়। পাশাপাশি তারা চন্দ্রযানের মডেল তৈরি ও পরীক্ষা করার সুযোগ পায়।
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল টেলিস্কোপে চাঁদ পর্যবেক্ষণ। শিশুদের পাশাপাশি তাঁদের অভিভাবকেরাও এতে অংশ নেন। আয়োজকেরা জানান, অনেক শিশুর জন্য টেলিস্কোপে চাঁদ দেখার অভিজ্ঞতা ছিল প্রথমবারের মতো।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান অপু বলেন, শিশুদের শুধু বই পড়ে নয়, হাতে-কলমে কাজ ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মহাকাশবিজ্ঞান শেখানোই তাঁদের লক্ষ্য।
আয়োজকরা বলেন, বিজ্ঞান ও মহাকাশকে শিশুদের কাছে সহজ ও আনন্দময় করে তোলার পাশাপাশি তাঁদের সৃজনশীলতা, দলগত কাজ, সমস্যা সমাধান এবং অনুসন্ধিৎসু মনোভাব গড়ে তোলাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের সনদ দেওয়া হয়। চাঁদ পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’।

আপনার মতামত লিখুন