ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন কাস্টমস থেকে দুটি স্বর্ণের বারসহ মোবারক হোসেন নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা। তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর এলাকার তাজউদ্দীনের ছেলে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে যাত্রীর শরীর তল্লাশি করে এই স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার সাজিদ মাহমুদ কৌশিক জানান, ভারতে যাওয়ার সময় ওই যাত্রীর আচরণ ও চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি স্বর্ণ থাকার কথা স্বীকার করেন এবং পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের দুটি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লাখ টাকা।
শরীরের ভেতরে আরও স্বর্ণ আছে কি না তা নিশ্চিত হতে তাকে বেনাপোলের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়, তবে সেখানে অতিরিক্ত কোনো স্বর্ণের সন্ধান মেলেনি। পরে স্বর্ণপাচার আইনে মামলা দিয়ে রাতেই তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, বেনাপোল চেকপোস্টে স্বর্ণপাচার প্রতিরোধে আধুনিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি থাকায় অনেক চালান সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে, যা পরবর্তী সময়ে ভারতীয় কাস্টমসের হাতে ধরা পড়ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন কাস্টমস থেকে দুটি স্বর্ণের বারসহ মোবারক হোসেন নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা। তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর এলাকার তাজউদ্দীনের ছেলে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে যাত্রীর শরীর তল্লাশি করে এই স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার সাজিদ মাহমুদ কৌশিক জানান, ভারতে যাওয়ার সময় ওই যাত্রীর আচরণ ও চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি স্বর্ণ থাকার কথা স্বীকার করেন এবং পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের দুটি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লাখ টাকা।
শরীরের ভেতরে আরও স্বর্ণ আছে কি না তা নিশ্চিত হতে তাকে বেনাপোলের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়, তবে সেখানে অতিরিক্ত কোনো স্বর্ণের সন্ধান মেলেনি। পরে স্বর্ণপাচার আইনে মামলা দিয়ে রাতেই তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, বেনাপোল চেকপোস্টে স্বর্ণপাচার প্রতিরোধে আধুনিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি থাকায় অনেক চালান সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে, যা পরবর্তী সময়ে ভারতীয় কাস্টমসের হাতে ধরা পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন