জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত তথ্যচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও অবদান যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ওই ভিডিও চিত্রটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির প্রেক্ষিতে এই অবস্থান জানাল মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটির ভুলত্রুটিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত পরিমার্জন করা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধিত সংস্করণটি পুনরায় জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিক করতে মন্ত্রণালয় অঙ্গীকারবদ্ধ। তথ্যচিত্র বা অন্য কোনো বিষয়ে নাগরিকদের অভিযোগ জানানোর অধিকার থাকলেও, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, বিদেশি কূটনীতিবিদ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে গোলযোগ সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে। এমন পরিস্থিতির কারণে আমন্ত্রিত শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধারা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন।
একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের কড়া সমালোচনা করেছে মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং রাষ্ট্রকে আবার ফ্যাসিবাদের কবলে ঠেলে দেওয়ার অপপ্রয়াস চলছে। এমন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
/

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত তথ্যচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও অবদান যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ওই ভিডিও চিত্রটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির প্রেক্ষিতে এই অবস্থান জানাল মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটির ভুলত্রুটিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত পরিমার্জন করা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধিত সংস্করণটি পুনরায় জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিক করতে মন্ত্রণালয় অঙ্গীকারবদ্ধ। তথ্যচিত্র বা অন্য কোনো বিষয়ে নাগরিকদের অভিযোগ জানানোর অধিকার থাকলেও, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, বিদেশি কূটনীতিবিদ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে গোলযোগ সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে। এমন পরিস্থিতির কারণে আমন্ত্রিত শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধারা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন।
একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের কড়া সমালোচনা করেছে মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং রাষ্ট্রকে আবার ফ্যাসিবাদের কবলে ঠেলে দেওয়ার অপপ্রয়াস চলছে। এমন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
/

আপনার মতামত লিখুন