২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর চেজ স্টেডিয়ামে ন্যাশভিল এসসিকে ৪-০ গোলে হারানোর পর লিওনেল মেসি যে আনন্দ-উদযাপন করেছিলেন, সে সময় তিনি বুঝতেই পারেননি যে এটাই হবে বাবা-মায়ের সঙ্গে ইন্টার মায়ামির ভিআইপি স্যুটে কাটানো তার একেবারে শেষ মুহূর্ত। মা সেলিয়া কুচ্চিত্তিনি ও বাবা হোর্হে মেসির পাশাপাশি সেদিন সেখানে ছিলেন স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এবং তাদের তিন সন্তানও। সাধারণ একটি ম্যাচ-পরবর্তী দৃশ্য মনে হলেও আজ সেটি ফিরে দেখা হচ্ছে একেবারে নতুন দৃষ্টিতে।
ম্যাচ শেষে গায়ের জার্সি খুলে মায়ের দিকে ছুড়ে দেন মেসি। মা তখন বসেছিলেন বাবার পাশেই। এরপর সরাসরি ভিআইপি স্যুটে গিয়ে দুজনকে জড়িয়ে ধরেন তিনি, সঙ্গী হন স্ত্রী ও সন্তানরাও।
সে সময় এটি ভক্ত এবং মেসি পরিবার - দুই পক্ষের কাছেই ছিল আর দশটা সাধারণ, আনন্দঘন পারিবারিক দৃশ্যের মতোই। কিন্তু হোর্হে মেসির প্রয়াণের পর সেই একই দৃশ্য এখন বহন করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবেগ। একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে বাবা-ছেলের একসঙ্গে থাকার শেষ কিছু জনসমক্ষের মুহূর্তের একটি হয়ে থেকে গেল এই ছবিগুলো।
শুধু একজন বাবা নন, মেসির পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে হোর্হে ছিলেন এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর সেই শুরুর দিন থেকেই ছেলের ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি, ক্যারিয়ারের নানা বাঁকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তার হয়ে, আর ফুটবলের সবচেয়ে বড় রাতগুলোতেও থেকেছেন অবিচল উপস্থিতি হয়ে। তাই চেজ স্টেডিয়ামের সেই আলিঙ্গন এখন কেবল একটি জয়ের উদযাপন নয় - বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যা আরও বেশি মূল্যবান হয়ে উঠবে স্মৃতির পাতায়।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর চেজ স্টেডিয়ামে ন্যাশভিল এসসিকে ৪-০ গোলে হারানোর পর লিওনেল মেসি যে আনন্দ-উদযাপন করেছিলেন, সে সময় তিনি বুঝতেই পারেননি যে এটাই হবে বাবা-মায়ের সঙ্গে ইন্টার মায়ামির ভিআইপি স্যুটে কাটানো তার একেবারে শেষ মুহূর্ত। মা সেলিয়া কুচ্চিত্তিনি ও বাবা হোর্হে মেসির পাশাপাশি সেদিন সেখানে ছিলেন স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এবং তাদের তিন সন্তানও। সাধারণ একটি ম্যাচ-পরবর্তী দৃশ্য মনে হলেও আজ সেটি ফিরে দেখা হচ্ছে একেবারে নতুন দৃষ্টিতে।
ম্যাচ শেষে গায়ের জার্সি খুলে মায়ের দিকে ছুড়ে দেন মেসি। মা তখন বসেছিলেন বাবার পাশেই। এরপর সরাসরি ভিআইপি স্যুটে গিয়ে দুজনকে জড়িয়ে ধরেন তিনি, সঙ্গী হন স্ত্রী ও সন্তানরাও।
সে সময় এটি ভক্ত এবং মেসি পরিবার - দুই পক্ষের কাছেই ছিল আর দশটা সাধারণ, আনন্দঘন পারিবারিক দৃশ্যের মতোই। কিন্তু হোর্হে মেসির প্রয়াণের পর সেই একই দৃশ্য এখন বহন করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবেগ। একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে বাবা-ছেলের একসঙ্গে থাকার শেষ কিছু জনসমক্ষের মুহূর্তের একটি হয়ে থেকে গেল এই ছবিগুলো।
শুধু একজন বাবা নন, মেসির পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে হোর্হে ছিলেন এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর সেই শুরুর দিন থেকেই ছেলের ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি, ক্যারিয়ারের নানা বাঁকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তার হয়ে, আর ফুটবলের সবচেয়ে বড় রাতগুলোতেও থেকেছেন অবিচল উপস্থিতি হয়ে। তাই চেজ স্টেডিয়ামের সেই আলিঙ্গন এখন কেবল একটি জয়ের উদযাপন নয় - বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যা আরও বেশি মূল্যবান হয়ে উঠবে স্মৃতির পাতায়।

আপনার মতামত লিখুন