‘অমর চিত্রনায়ক’ চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলার ৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি খল-অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার
বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের অপরাধ
তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ
দেন।
এর আগে ভোরে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে দীর্ঘদিন ধরে
পলাতক থাকা আশরাফুল হক
ডনকে আটক করা হয়।
পরে তাকে চিফ মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং
বিকেলে এজলাসে হাজির করা হয়।
তাকে
জামিনে মুক্তি দিলে মামলার তদন্তে
বিঘ্ন সৃষ্টি এবং আবারও পলাতক
হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে জেলহাজতে আটক
রাখার জোরালো আবেদন জানায় সিআইডি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
আদালতে
পেশ করা সিআইডির স্মারকে
উল্লেখ করা হয়, ডন
দীর্ঘকাল ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার বিষয়ে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সে
জামিন পেলে তদন্ত মারাত্মকভাবে
ব্যাহত হতে পারে।
এজাহারের
তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬
সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাত ব্যক্তিবর্গ
পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। সিআইডি দীর্ঘ
দিন ধরে এই স্পর্শকাতর
মামলার তদন্ত চালিয়ে আসছে, যার প্রতিবেদন দাখিলের
দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৩০ আগস্ট। আদালতের
এই আদেশের পর ডনকে কারাগারে
নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশ।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
‘অমর চিত্রনায়ক’ চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলার ৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি খল-অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার
বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের অপরাধ
তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ
দেন।
এর আগে ভোরে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে দীর্ঘদিন ধরে
পলাতক থাকা আশরাফুল হক
ডনকে আটক করা হয়।
পরে তাকে চিফ মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং
বিকেলে এজলাসে হাজির করা হয়।
তাকে
জামিনে মুক্তি দিলে মামলার তদন্তে
বিঘ্ন সৃষ্টি এবং আবারও পলাতক
হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে জেলহাজতে আটক
রাখার জোরালো আবেদন জানায় সিআইডি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
আদালতে
পেশ করা সিআইডির স্মারকে
উল্লেখ করা হয়, ডন
দীর্ঘকাল ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার বিষয়ে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সে
জামিন পেলে তদন্ত মারাত্মকভাবে
ব্যাহত হতে পারে।
এজাহারের
তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬
সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাত ব্যক্তিবর্গ
পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। সিআইডি দীর্ঘ
দিন ধরে এই স্পর্শকাতর
মামলার তদন্ত চালিয়ে আসছে, যার প্রতিবেদন দাখিলের
দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৩০ আগস্ট। আদালতের
এই আদেশের পর ডনকে কারাগারে
নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন