দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আসামিদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার এই রিমান্ডের আবেদন করেন। ৫টি সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শিয়ে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আর্জি জানানো হয় বলে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগ জানিয়েছে।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মরিয়মের আত্মহত্যার সময় গ্রেপ্তার আসামিরা একই বাসায় উপস্থিত ছিলেন। ফলে এই ঘটনায় তাদের কোনো পরোক্ষ প্রভাব, মানসিক চাপ, উসকানি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের ভূমিকা ছিল কি না, তা বের করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের অবস্থান শনাক্তকরণ ও ঘটনার পেছনে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বিকল্প নেই।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া একটি চিঠিতে মানসিক কষ্ট ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা উল্লেখ ছিল। ওই রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ও গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত জুনে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে পরিবারের অভিযোগ। ইতিপূর্বে এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জের ধরে গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
\

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আসামিদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার এই রিমান্ডের আবেদন করেন। ৫টি সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শিয়ে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আর্জি জানানো হয় বলে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগ জানিয়েছে।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মরিয়মের আত্মহত্যার সময় গ্রেপ্তার আসামিরা একই বাসায় উপস্থিত ছিলেন। ফলে এই ঘটনায় তাদের কোনো পরোক্ষ প্রভাব, মানসিক চাপ, উসকানি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের ভূমিকা ছিল কি না, তা বের করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের অবস্থান শনাক্তকরণ ও ঘটনার পেছনে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বিকল্প নেই।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া একটি চিঠিতে মানসিক কষ্ট ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা উল্লেখ ছিল। ওই রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ও গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত জুনে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে পরিবারের অভিযোগ। ইতিপূর্বে এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জের ধরে গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
\

আপনার মতামত লিখুন