সংবাদ

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছ‌বি: সংগৃ‌হিত

টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুপুরে টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
​মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০), কাগমারা এলাকার মো. আজাদ (২৫) এবং শ্রীফলিয়াটা গ্রামের শাহজাহান মিয়া (৩১)। দণ্ডপ্রাপ্ত এই তিন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: মো. সুজন (৩২), সানোয়ার হোসেন (৩৪), শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) এবং রুজবেল ওরফে ইমন। তাদের মধ্যে শফিক ও রুজবেল পলাতক রয়েছেন। এছাড়া অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় দাইন্যা চৌধুরী গ্রামের সঞ্জিত ঘোষকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় খালাসপ্রাপ্ত সঞ্জিত এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত সুজন ও সানোয়ার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
​আদালতের দেওয়া শাস্তির বিবরণ জানিয়ে টাঙ্গাইল জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি সাইদুল রহমান স্বপন বলেন, "বিচার শেষে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনকেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।"
​মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকালে টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর বটতলা এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বের হলে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ফারুককে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রায় ১৩ বছর পর আজ বিজ্ঞ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুপুরে টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
​মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০), কাগমারা এলাকার মো. আজাদ (২৫) এবং শ্রীফলিয়াটা গ্রামের শাহজাহান মিয়া (৩১)। দণ্ডপ্রাপ্ত এই তিন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: মো. সুজন (৩২), সানোয়ার হোসেন (৩৪), শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) এবং রুজবেল ওরফে ইমন। তাদের মধ্যে শফিক ও রুজবেল পলাতক রয়েছেন। এছাড়া অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় দাইন্যা চৌধুরী গ্রামের সঞ্জিত ঘোষকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় খালাসপ্রাপ্ত সঞ্জিত এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত সুজন ও সানোয়ার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
​আদালতের দেওয়া শাস্তির বিবরণ জানিয়ে টাঙ্গাইল জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি সাইদুল রহমান স্বপন বলেন, "বিচার শেষে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনকেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।"
​মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকালে টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর বটতলা এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বের হলে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ফারুককে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রায় ১৩ বছর পর আজ বিজ্ঞ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত