সংবাদ

জিরো পয়েন্ট-হরিরামপুর সড়কটি যেন ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এক মরণফাঁদ


প্রতিনিধি, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ)
প্রতিনিধি, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ)
প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

জিরো পয়েন্ট-হরিরামপুর সড়কটি যেন ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এক মরণফাঁদ
ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে হরিরামপুর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়ক এখন স্থানীয়দের কাছে এক ‘মরণফাঁদ’। চার ইউনিয়নের অন্তত ৫০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান এই পথটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়েই তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির কোথাও এখন আর পিচের অস্তিত্ব নেই। শুষ্ক মৌসুমে ধুলার কারণে পথচারীদের জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়, আর বর্ষায় খানাখন্দগুলো ছোটখাটো খালে পরিণত হয়। ত্রিশাল সদর, সাখুয়া, রামপুর ও হরিরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের এই পথ দিয়ে যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারো বাস, ট্রাক ও লরি চলাচল করলেও সড়কটি যেন অভিভাবকহীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাছের গাড়ির পানি এবং ইটভাটার অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের কারণেই সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী হাসেম বলেন, ‘মাছের ট্রাকের পানি আর ইটভাটার ভারি যানবাহনের কারণে রাস্তাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে থাকায় বোঝা যায় না কোথায় গভীরতা কতটুকু। প্রায়ই গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।’ অটোরিকশাচালক আলী হোসেন জানান, রাস্তার দুরবস্থার কারণে প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি ও খরচ দুটোই বেড়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগী ও গর্ভবতী মায়েরা। জরাজীর্ণ এই পথে যাতায়াত করতে গিয়ে ভাড়ার গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ। অনেক সময় মাঝপথেই বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহন।

এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যোবায়েত হোসেন জানান, সড়কটির বেহাল দশা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি চলাচল উপযোগী করতে জরুরি মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


জিরো পয়েন্ট-হরিরামপুর সড়কটি যেন ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এক মরণফাঁদ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে হরিরামপুর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়ক এখন স্থানীয়দের কাছে এক ‘মরণফাঁদ’। চার ইউনিয়নের অন্তত ৫০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান এই পথটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়েই তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির কোথাও এখন আর পিচের অস্তিত্ব নেই। শুষ্ক মৌসুমে ধুলার কারণে পথচারীদের জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়, আর বর্ষায় খানাখন্দগুলো ছোটখাটো খালে পরিণত হয়। ত্রিশাল সদর, সাখুয়া, রামপুর ও হরিরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের এই পথ দিয়ে যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারো বাস, ট্রাক ও লরি চলাচল করলেও সড়কটি যেন অভিভাবকহীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাছের গাড়ির পানি এবং ইটভাটার অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের কারণেই সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী হাসেম বলেন, ‘মাছের ট্রাকের পানি আর ইটভাটার ভারি যানবাহনের কারণে রাস্তাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে থাকায় বোঝা যায় না কোথায় গভীরতা কতটুকু। প্রায়ই গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।’ অটোরিকশাচালক আলী হোসেন জানান, রাস্তার দুরবস্থার কারণে প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি ও খরচ দুটোই বেড়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগী ও গর্ভবতী মায়েরা। জরাজীর্ণ এই পথে যাতায়াত করতে গিয়ে ভাড়ার গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ। অনেক সময় মাঝপথেই বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহন।

এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যোবায়েত হোসেন জানান, সড়কটির বেহাল দশা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি চলাচল উপযোগী করতে জরুরি মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত