নতুন
২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু
থেকেই প্রবাসী আয়ে জোর গতি
লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতিবাচক
এই ধারার ওপর ভর করে
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম আট দিনেই দেশে
এসেছে ৯১৫ মিলিয়ন মার্কিন
ডলারের রেমিট্যান্স। গত অর্থবছরের একই
সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ৪০
শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই আশাব্যঞ্জক তথ্য
উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের একই
সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্স প্রবাহে
৪২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
হয়েছে। বিশেষ করে আগস্টের ৬
থেকে ৮ তারিখ, এই
তিন দিনেই দেশে এসেছে ৩১৩
মিলিয়ন ডলার। এর আগে ৪
ও ৫ আগস্ট দুই
দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৯৬ মিলিয়ন ডলার।
পরিসংখ্যান
পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি
অর্থবছরের শুরু থেকে ৮
আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট তিন
দশমিক ৭৭৩ বিলিয়ন ডলারের
প্রবাসী আয় এসেছে। গত
২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই
সময়ে এর পরিমাণ ছিল
তিন দশমিক ১১৮ বিলিয়ন ডলার।
অর্থাৎ
বছরভিত্তিক হিসেবে এই সময়ে রেমিট্যান্স
বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। চলতি
অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী
আয়ে যে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির
যাত্রা শুরু হয়েছিল, আগস্টের
শুরুতেও সেই জোয়ার অব্যাহত
রয়েছে।
ব্যাংকিং
চ্যানেলে বৈধ উপায়ে প্রবাসী
আয় পাঠানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ায় দেশের
বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে ইতিবাচক হাওয়া বইছে।
খাতসংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের স্বস্তি
ফেরাবে। সেই সঙ্গে এটি
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও জোরদার করতে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ
করছেন তারা।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
নতুন
২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু
থেকেই প্রবাসী আয়ে জোর গতি
লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতিবাচক
এই ধারার ওপর ভর করে
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম আট দিনেই দেশে
এসেছে ৯১৫ মিলিয়ন মার্কিন
ডলারের রেমিট্যান্স। গত অর্থবছরের একই
সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ৪০
শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই আশাব্যঞ্জক তথ্য
উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের একই
সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্স প্রবাহে
৪২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
হয়েছে। বিশেষ করে আগস্টের ৬
থেকে ৮ তারিখ, এই
তিন দিনেই দেশে এসেছে ৩১৩
মিলিয়ন ডলার। এর আগে ৪
ও ৫ আগস্ট দুই
দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৯৬ মিলিয়ন ডলার।
পরিসংখ্যান
পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি
অর্থবছরের শুরু থেকে ৮
আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট তিন
দশমিক ৭৭৩ বিলিয়ন ডলারের
প্রবাসী আয় এসেছে। গত
২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই
সময়ে এর পরিমাণ ছিল
তিন দশমিক ১১৮ বিলিয়ন ডলার।
অর্থাৎ
বছরভিত্তিক হিসেবে এই সময়ে রেমিট্যান্স
বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। চলতি
অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী
আয়ে যে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির
যাত্রা শুরু হয়েছিল, আগস্টের
শুরুতেও সেই জোয়ার অব্যাহত
রয়েছে।
ব্যাংকিং
চ্যানেলে বৈধ উপায়ে প্রবাসী
আয় পাঠানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ায় দেশের
বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে ইতিবাচক হাওয়া বইছে।
খাতসংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের স্বস্তি
ফেরাবে। সেই সঙ্গে এটি
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও জোরদার করতে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ
করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন