‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’–এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নরসিংদীতে জেলা পর্যায়ের অংশীজনদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দেশে এই নৌযান শুমারি পরিচালিত হতে যাচ্ছে। সভায় জানানো হয়, আগামী ২০ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে শুমারির তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু তাহের মো. সামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজওয়ানা কবির। তিনি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শুমারির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌযানের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করাই এই শুমারির মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নৌযানগুলোর নিবন্ধনসহ অন্যান্য সরকারি সেবা প্রদান সহজ হবে। তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব নৌযান এবং সাধারণ ইঞ্জিনবিহীন নৌকা এই শুমারির আওতামুক্ত থাকবে।
বক্তারা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌপরিবহন খাতের সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এই শুমারির ফলে নৌপথে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিআইডব্লিউটিএ, নৌ পুলিশ, মৎস্য অধিদপ্তর ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’–এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নরসিংদীতে জেলা পর্যায়ের অংশীজনদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দেশে এই নৌযান শুমারি পরিচালিত হতে যাচ্ছে। সভায় জানানো হয়, আগামী ২০ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে শুমারির তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু তাহের মো. সামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজওয়ানা কবির। তিনি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শুমারির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌযানের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করাই এই শুমারির মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নৌযানগুলোর নিবন্ধনসহ অন্যান্য সরকারি সেবা প্রদান সহজ হবে। তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব নৌযান এবং সাধারণ ইঞ্জিনবিহীন নৌকা এই শুমারির আওতামুক্ত থাকবে।
বক্তারা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌপরিবহন খাতের সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এই শুমারির ফলে নৌপথে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিআইডব্লিউটিএ, নৌ পুলিশ, মৎস্য অধিদপ্তর ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন