চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। দেশে একাদশ শ্রেণিতে পড়ার জন্য প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও এবার পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী।
ফলে
সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও সাড়ে ১৩
লাখের বেশি আসন খালিই
থেকে যাবে। তবে মোট আসনের
অর্ধেকেরও বেশি খালি থাকলেও
ঢাকার নামি ও ভালো
মানের কলেজগুলোতে কাঙ্ক্ষিত আসন পেতে তীব্র
প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে শিক্ষার্থীদের।
সোমবার
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের
মোর্চা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের
চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ
তথ্য জানান।
সার্বিক
ভর্তি পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন,
"২০২৫ সালে যত শিক্ষার্থী
ভর্তি হয়েছিল তাদের তুলনায় ২০২৬ সালে ভর্তির
ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা কিছু
বেশি শূন্য থাকবে। সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায়
২৫ লাখ। গতবার ভর্তি
হয়েছিল মোট আসনের ৫৮
দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী।
বাকি ৪১ দশমিক ৩
শতাংশ আসন ফাঁকা ছিল।
এ বছর পাসের হার
আরেকটু কমেছে। সে ক্ষেত্রে আসনসংখ্যা
আরেকটু বেশি শূন্য থাকবে।"
ভর্তি
প্রক্রিয়া ও ফি নির্ধারণের
বিষয়ে তিনি আরও উল্লেখ
করেন, "নিয়মে খুব একটা পরিবর্তন
আনা হচ্ছে না। ভর্তি ফি
ও অন্যান্য ফিও প্রায় একই
রকম থাকবে।"
একই
সাথে ক্লাস শুরুর প্রসঙ্গে জানান, "একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ
করা হবে। ভর্তি কার্যক্রম
শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাস শুরু হবে। এখনো
ক্লাস শুরুর নোটিশ দেওয়া হয়নি। শিগগির ক্লাস শুরুর নোটিশও আমরা দিয়ে দেবো।"
শিক্ষা
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নামি
কলেজগুলোতে ভালো জিপিএ পাওয়া
শিক্ষার্থীদের ভিড় থাকায় পছন্দের
ক্ষেত্রে অন্তত ৫টি এবং সর্বোচ্চ
১০টি কলেজের তালিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফি নির্ধারিত হয়েছে
অঞ্চল ও ভার্সনভেদে দেড়
হাজার থেকে সাড়ে আট
হাজার টাকা পর্যন্ত, যার
সাথে নিশ্চায়ন ও অন্যান্য বোর্ড
ফি বাবদ যোগ হবে
মোট ৩৩৫ টাকা।
উল্লেখ্য,
প্রকাশিত ফলে ১৮ লাখ
২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর
মধ্যে পাসের হার ৬২.২৫
শতাংশ এবং জিপিএ-৫
পেয়েছে ১ লাখ ১৬
হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। দেশে একাদশ শ্রেণিতে পড়ার জন্য প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও এবার পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী।
ফলে
সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও সাড়ে ১৩
লাখের বেশি আসন খালিই
থেকে যাবে। তবে মোট আসনের
অর্ধেকেরও বেশি খালি থাকলেও
ঢাকার নামি ও ভালো
মানের কলেজগুলোতে কাঙ্ক্ষিত আসন পেতে তীব্র
প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে শিক্ষার্থীদের।
সোমবার
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের
মোর্চা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের
চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ
তথ্য জানান।
সার্বিক
ভর্তি পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন,
"২০২৫ সালে যত শিক্ষার্থী
ভর্তি হয়েছিল তাদের তুলনায় ২০২৬ সালে ভর্তির
ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা কিছু
বেশি শূন্য থাকবে। সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায়
২৫ লাখ। গতবার ভর্তি
হয়েছিল মোট আসনের ৫৮
দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী।
বাকি ৪১ দশমিক ৩
শতাংশ আসন ফাঁকা ছিল।
এ বছর পাসের হার
আরেকটু কমেছে। সে ক্ষেত্রে আসনসংখ্যা
আরেকটু বেশি শূন্য থাকবে।"
ভর্তি
প্রক্রিয়া ও ফি নির্ধারণের
বিষয়ে তিনি আরও উল্লেখ
করেন, "নিয়মে খুব একটা পরিবর্তন
আনা হচ্ছে না। ভর্তি ফি
ও অন্যান্য ফিও প্রায় একই
রকম থাকবে।"
একই
সাথে ক্লাস শুরুর প্রসঙ্গে জানান, "একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ
করা হবে। ভর্তি কার্যক্রম
শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাস শুরু হবে। এখনো
ক্লাস শুরুর নোটিশ দেওয়া হয়নি। শিগগির ক্লাস শুরুর নোটিশও আমরা দিয়ে দেবো।"
শিক্ষা
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নামি
কলেজগুলোতে ভালো জিপিএ পাওয়া
শিক্ষার্থীদের ভিড় থাকায় পছন্দের
ক্ষেত্রে অন্তত ৫টি এবং সর্বোচ্চ
১০টি কলেজের তালিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফি নির্ধারিত হয়েছে
অঞ্চল ও ভার্সনভেদে দেড়
হাজার থেকে সাড়ে আট
হাজার টাকা পর্যন্ত, যার
সাথে নিশ্চায়ন ও অন্যান্য বোর্ড
ফি বাবদ যোগ হবে
মোট ৩৩৫ টাকা।
উল্লেখ্য,
প্রকাশিত ফলে ১৮ লাখ
২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর
মধ্যে পাসের হার ৬২.২৫
শতাংশ এবং জিপিএ-৫
পেয়েছে ১ লাখ ১৬
হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

আপনার মতামত লিখুন