এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে, যার নেপথ্যে মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ইংরেজি ও গণিত বিষয়। এ দুই বিষয়ে ব্যাপকসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সার্বিক পাসের হারের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ-৫-এর সংখ্যাও।
বিশেষ
করে মানবিক বিভাগ ও মাদরাসা শিক্ষা
বোর্ডের শিক্ষার্থীরা এ দুটি বিষয়ে
তুলনামূলক বেশি দুর্বল হওয়ায়
দুই দশকের মধ্যে ফলাফলে সবচেয়ে বড় নিম্নমুখী প্রবণতা
তৈরি হয়েছে। তবে এই হতাশার
বৃত্তে ব্যতিক্রমী চমক দেখিয়েছে তথ্য
ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়, যেখানে শিক্ষার্থী পাসের হার রেকর্ড ছুঁয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ
শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে
রয়েছে ময়মনসিংহ। এ বোর্ডে ইংরেজিতে
পাস করেছে মাত্র ৬৬.৬৪ শতাংশ
এবং গণিতে ৬৯.৬১ শতাংশ
শিক্ষার্থী। অর্থাৎ ময়মনসিংহে ইংরেজিতে প্রতি ১০০ জনে ৩৩
জন এবং গণিতে ৩০
জন অকৃতকার্য হয়েছে। বরিশাল ও সিলেট বোর্ডেও
ইংরেজিতে পাসের হার যথাক্রমে ৬৯.২৪ ও ৬৯.১১ শতাংশে নেমে
এসেছে।
কেবল
কুমিল্লা ও কারিগরি বোর্ডে
ইংরেজিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের
ওপর ধরে রাখা সম্ভব
হয়েছে। গণিতেও ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডে
পাসের হার ৬৯ শতাংশের
ঘরে আটকা পড়েছে এবং
কারিগরি, দিনাজপুর, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল বোর্ডে
তা ৭০ শতাংশের ঘরে
রয়ে গেছে। ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর ও চট্টগ্রাম
বোর্ড গণিতে ৮০ শতাংশের বেশি
পাসের হার ধরে রাখায়
কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তবে
শিক্ষার্থীদের অতীতের খারাপ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ভেঙে এবার আইসিটিতে
রীতিমতো চমকপ্রদ সাফল্য এসেছে। রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর ও কারিগরি বোর্ডে
আইসিটিতে পাসের হার ৯৯ শতাংশ
ছাড়িয়েছে।
অন্যদিকে
ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডেও
এ হার ৯৮ শতাংশ।
এমনকি সর্বনিম্ন পাসের হার হওয়া যশোর
বোর্ডেও ৯৭.৮৬ শতাংশ
শিক্ষার্থী আইসিটিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
বিজ্ঞান
ও অন্যান্য বিভাগের ফল সন্তোষজনক রয়েছে।
১১টি বোর্ডের মধ্যে ৭টিতেই পদার্থবিজ্ঞানে পাসের হার ৯০ শতাংশের
ওপরে। রসায়নে ৮টি বোর্ডে এবং
উচ্চতর গণিতে প্রায় সব বোর্ডেই পাসের
হার ৯০ শতাংশের ওপরে
রয়েছে।
ইতিহাস
ও অর্থনীতি বিষয়ে ইতিবাচক ফল এলেও হিসাববিজ্ঞানে
অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার ৮০ শতাংশের
ঘরে রয়েছে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে, যার নেপথ্যে মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ইংরেজি ও গণিত বিষয়। এ দুই বিষয়ে ব্যাপকসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সার্বিক পাসের হারের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ-৫-এর সংখ্যাও।
বিশেষ
করে মানবিক বিভাগ ও মাদরাসা শিক্ষা
বোর্ডের শিক্ষার্থীরা এ দুটি বিষয়ে
তুলনামূলক বেশি দুর্বল হওয়ায়
দুই দশকের মধ্যে ফলাফলে সবচেয়ে বড় নিম্নমুখী প্রবণতা
তৈরি হয়েছে। তবে এই হতাশার
বৃত্তে ব্যতিক্রমী চমক দেখিয়েছে তথ্য
ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়, যেখানে শিক্ষার্থী পাসের হার রেকর্ড ছুঁয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ
শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে
রয়েছে ময়মনসিংহ। এ বোর্ডে ইংরেজিতে
পাস করেছে মাত্র ৬৬.৬৪ শতাংশ
এবং গণিতে ৬৯.৬১ শতাংশ
শিক্ষার্থী। অর্থাৎ ময়মনসিংহে ইংরেজিতে প্রতি ১০০ জনে ৩৩
জন এবং গণিতে ৩০
জন অকৃতকার্য হয়েছে। বরিশাল ও সিলেট বোর্ডেও
ইংরেজিতে পাসের হার যথাক্রমে ৬৯.২৪ ও ৬৯.১১ শতাংশে নেমে
এসেছে।
কেবল
কুমিল্লা ও কারিগরি বোর্ডে
ইংরেজিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের
ওপর ধরে রাখা সম্ভব
হয়েছে। গণিতেও ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডে
পাসের হার ৬৯ শতাংশের
ঘরে আটকা পড়েছে এবং
কারিগরি, দিনাজপুর, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল বোর্ডে
তা ৭০ শতাংশের ঘরে
রয়ে গেছে। ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর ও চট্টগ্রাম
বোর্ড গণিতে ৮০ শতাংশের বেশি
পাসের হার ধরে রাখায়
কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তবে
শিক্ষার্থীদের অতীতের খারাপ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ভেঙে এবার আইসিটিতে
রীতিমতো চমকপ্রদ সাফল্য এসেছে। রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর ও কারিগরি বোর্ডে
আইসিটিতে পাসের হার ৯৯ শতাংশ
ছাড়িয়েছে।
অন্যদিকে
ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডেও
এ হার ৯৮ শতাংশ।
এমনকি সর্বনিম্ন পাসের হার হওয়া যশোর
বোর্ডেও ৯৭.৮৬ শতাংশ
শিক্ষার্থী আইসিটিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
বিজ্ঞান
ও অন্যান্য বিভাগের ফল সন্তোষজনক রয়েছে।
১১টি বোর্ডের মধ্যে ৭টিতেই পদার্থবিজ্ঞানে পাসের হার ৯০ শতাংশের
ওপরে। রসায়নে ৮টি বোর্ডে এবং
উচ্চতর গণিতে প্রায় সব বোর্ডেই পাসের
হার ৯০ শতাংশের ওপরে
রয়েছে।
ইতিহাস
ও অর্থনীতি বিষয়ে ইতিবাচক ফল এলেও হিসাববিজ্ঞানে
অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার ৮০ শতাংশের
ঘরে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন