২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের পতন হয়েছে। গত ৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এবারের পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ২২ হাজার ৩৫৬ জন কম।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। এরপর থেকে এই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২৩ সালে তা নেমে আসে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জনে, ২০২৪ সালে ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন এবং ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনে।
জিপিএ-৫ কমার পাশাপাশি এবার সামগ্রিক পাসের হারও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার এবার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এ বছর ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের পরীক্ষায় অংশ নেন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফলের স্বচ্ছতা আনার কারণে এই পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কেন ধারাবাহিকভাবে জিপিএ-৫ কমছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
/

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের পতন হয়েছে। গত ৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এবারের পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ২২ হাজার ৩৫৬ জন কম।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। এরপর থেকে এই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২৩ সালে তা নেমে আসে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জনে, ২০২৪ সালে ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন এবং ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনে।
জিপিএ-৫ কমার পাশাপাশি এবার সামগ্রিক পাসের হারও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার এবার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এ বছর ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের পরীক্ষায় অংশ নেন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফলের স্বচ্ছতা আনার কারণে এই পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কেন ধারাবাহিকভাবে জিপিএ-৫ কমছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন