রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগে পাসপোর্ট দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব। পরবর্তীতে র্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
সোমবার
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায়
অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের
নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে চক্রের দুই সদস্যকে ১৫
দিন করে, দুইজনকে ১০
দিন করে এবং একজনকে
সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানের
বিষয়ে র্যাব-২ এর উপ-পরিচালক মেজর এস এম
মুবীন রহমান তাপস জানান, "সম্প্রতি
সংঘবদ্ধ একটি দালাল চক্র
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে ও পাশের ব্যাংকে
টাকা জমা দিতে আসা
পাসপোর্টপ্রার্থীদের টার্গেট করছিল। তারা পাসপোর্টের ফরম
পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্রের
ঘাটতি পূরণ, ভুল বা ভুয়া
কাগজপত্রের ব্যবস্থা এবং দ্রুত পাসপোর্ট
করে দেওয়ার কথা বলে প্রার্থীদের
প্রলুব্ধ করতেন।"
তিনি
আরও বলেন, "দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলে
পাসপোর্টপ্রার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করা
হতো। পরে অল্প সময়ে
পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন
দেখিয়ে কৌশলে তাদের কাছ থেকে মোটা
অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া
হতো।"
পাসপোর্ট
অফিস সূত্রে জানা গেছে, দালালদের
উপদ্রব বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নোটিশ
বোর্ডে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মাইকিং করা হয়। তবুও
এই দালাল চক্রের অপতৎপরতা থামেনি।
এর প্রেক্ষিতে র্যাব-২ বিশেষ গোয়েন্দা
নজরদারি বৃদ্ধি করে। তারই ধারাবাহিকতায়
সোমবার এই ঝটিকা অভিযান
পরিচালনা করে হাতেনাতে পাঁচজনকে
আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ
আদালতে আটকরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে বিচারক তাদের
বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণের
নির্দেশ দেন। ভুক্তভোগী সাধারণ
মানুষের সুবিধার্থে এ ধরনের অভিযান
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগে পাসপোর্ট দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব। পরবর্তীতে র্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
সোমবার
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায়
অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের
নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে চক্রের দুই সদস্যকে ১৫
দিন করে, দুইজনকে ১০
দিন করে এবং একজনকে
সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানের
বিষয়ে র্যাব-২ এর উপ-পরিচালক মেজর এস এম
মুবীন রহমান তাপস জানান, "সম্প্রতি
সংঘবদ্ধ একটি দালাল চক্র
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে ও পাশের ব্যাংকে
টাকা জমা দিতে আসা
পাসপোর্টপ্রার্থীদের টার্গেট করছিল। তারা পাসপোর্টের ফরম
পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্রের
ঘাটতি পূরণ, ভুল বা ভুয়া
কাগজপত্রের ব্যবস্থা এবং দ্রুত পাসপোর্ট
করে দেওয়ার কথা বলে প্রার্থীদের
প্রলুব্ধ করতেন।"
তিনি
আরও বলেন, "দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলে
পাসপোর্টপ্রার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করা
হতো। পরে অল্প সময়ে
পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন
দেখিয়ে কৌশলে তাদের কাছ থেকে মোটা
অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া
হতো।"
পাসপোর্ট
অফিস সূত্রে জানা গেছে, দালালদের
উপদ্রব বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নোটিশ
বোর্ডে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মাইকিং করা হয়। তবুও
এই দালাল চক্রের অপতৎপরতা থামেনি।
এর প্রেক্ষিতে র্যাব-২ বিশেষ গোয়েন্দা
নজরদারি বৃদ্ধি করে। তারই ধারাবাহিকতায়
সোমবার এই ঝটিকা অভিযান
পরিচালনা করে হাতেনাতে পাঁচজনকে
আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ
আদালতে আটকরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে বিচারক তাদের
বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণের
নির্দেশ দেন। ভুক্তভোগী সাধারণ
মানুষের সুবিধার্থে এ ধরনের অভিযান
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন