সংবাদ

বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরছে ম্যানেজিং কমিটির হাতে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম

বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরছে ম্যানেজিং কমিটির হাতে

​বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশপর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
​সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের পূর্বে এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতো। ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর সক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করার পর থেকে বিভিন্ন জটিলতা, মামলা এবং অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।"

বর্তমান সরকার একটি কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।"

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে সভায় উপস্থিত সবাই একমত পোষণ করেন।

​সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভায় অবহিত করেন যে ২০০৫ সালের ১ নম্বর আইন অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে এবং ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী আর কোনো নিয়োগের সুপারিশ করবে না। আসন্ন ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং এজন্য প্রয়োজনীয় আইন ও প্রজ্ঞাপন সংশোধন করা হবে।

এছাড়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীও নিজ উদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর প্রথম এক দশক এনটিআরসিএ কেবল সনদ দিলেও ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ শুরু করেছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরছে ম্যানেজিং কমিটির হাতে

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

​বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশপর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
​সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের পূর্বে এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতো। ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর সক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করার পর থেকে বিভিন্ন জটিলতা, মামলা এবং অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।"

বর্তমান সরকার একটি কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।"

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে সভায় উপস্থিত সবাই একমত পোষণ করেন।

​সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভায় অবহিত করেন যে ২০০৫ সালের ১ নম্বর আইন অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে এবং ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী আর কোনো নিয়োগের সুপারিশ করবে না। আসন্ন ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং এজন্য প্রয়োজনীয় আইন ও প্রজ্ঞাপন সংশোধন করা হবে।

এছাড়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীও নিজ উদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর প্রথম এক দশক এনটিআরসিএ কেবল সনদ দিলেও ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ শুরু করেছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত