প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত জুন মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে এটিই তার প্রথম সাক্ষাৎ।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতভেদ বা ইস্যু থাকতে পারে, তবে আলোচনার মাধ্যমে তার সবই সমাধানযোগ্য।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি ছিল মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আজকের এই বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সাক্ষাতের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রোববার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে তারা প্রায় আধা ঘণ্টা একান্ত আলাপ করেন।
ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে দায়িত্ব শুরু করেন। দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে ভারত এই প্রথম কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
/

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত জুন মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে এটিই তার প্রথম সাক্ষাৎ।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতভেদ বা ইস্যু থাকতে পারে, তবে আলোচনার মাধ্যমে তার সবই সমাধানযোগ্য।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি ছিল মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আজকের এই বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সাক্ষাতের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রোববার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে তারা প্রায় আধা ঘণ্টা একান্ত আলাপ করেন।
ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে দায়িত্ব শুরু করেন। দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে ভারত এই প্রথম কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন