সংবাদ

সুইডেনে ১০ হাজার বাংলাদেশি, বাড়ছে বিনিয়োগ


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

সুইডেনে ১০ হাজার বাংলাদেশি, বাড়ছে বিনিয়োগ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস

সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে সুইডেনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল’ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে। বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।

সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, অসাধু মানবপাচারকারীচক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু মানুষ অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চলছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় সংকটটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেন এবং রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


সুইডেনে ১০ হাজার বাংলাদেশি, বাড়ছে বিনিয়োগ

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে সুইডেনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল’ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে। বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।

সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, অসাধু মানবপাচারকারীচক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু মানুষ অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চলছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় সংকটটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেন এবং রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত