টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া-পূর্বাসিন্দা সড়কে খাকুরিয়া ব্রিজের নির্মাণকাজ চার বছরেও শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৪০টি গ্রামের মানুষ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, চার কোটি ২১ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যে ২০২১ সালে ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের কার্যাদেশ পায় ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২২ সালের ২০ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সাব-ঠিকাদার নিয়োগ ও নানা জটিলতায় কাজ অসমাপ্ত রেখেই সটে পড়েন তারা।
সেতুটি দিয়ে সরাশাক, কালিকাপুর, কোচপাড়া, পাঞ্জারচালা, দেওপাড়াসহ প্রায় ৪০টি গ্রামের মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। বিকল্প ব্যবস্থা ভালো না থাকায় পথচারী ও স্থানীয় যানবাহন চালকেরা মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্রিজটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।
যোগাযোগ করা হলে টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, ৫২ মিটার খাকুরিয়া ব্রিজের অধিকাংশ কাজই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রেলিং ও অ্যাপ্রোচের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যে কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া-পূর্বাসিন্দা সড়কে খাকুরিয়া ব্রিজের নির্মাণকাজ চার বছরেও শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৪০টি গ্রামের মানুষ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, চার কোটি ২১ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যে ২০২১ সালে ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের কার্যাদেশ পায় ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২২ সালের ২০ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সাব-ঠিকাদার নিয়োগ ও নানা জটিলতায় কাজ অসমাপ্ত রেখেই সটে পড়েন তারা।
সেতুটি দিয়ে সরাশাক, কালিকাপুর, কোচপাড়া, পাঞ্জারচালা, দেওপাড়াসহ প্রায় ৪০টি গ্রামের মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। বিকল্প ব্যবস্থা ভালো না থাকায় পথচারী ও স্থানীয় যানবাহন চালকেরা মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্রিজটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।
যোগাযোগ করা হলে টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, ৫২ মিটার খাকুরিয়া ব্রিজের অধিকাংশ কাজই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রেলিং ও অ্যাপ্রোচের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যে কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন