সংবাদ

টেকসই উন্নয়নে জনবান্ধব পথনকশা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

টেকসই উন্নয়নে জনবান্ধব পথনকশা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপির সব পরিকল্পনা কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ারভিশন ২০৩০এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্পের সঙ্গে এসডিজির গভীর মিল রয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রেএসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব অগ্রাধিকারশীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।

তিনি বলেন, "এসডিজির মূলনীতিকাউকে পেছনে ফেলে নয়’- এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছেসবার জন্য বাংলাদেশ"

ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ মেয়াদে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণনির্ভর আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এবার পুনর্গঠনের পালা।"

দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের বহুমুখী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির চিত্র তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, "গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীর সামাজিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কৃষক কার্ড এবং জনস্বাস্থ্য চিকিৎসাসেবা সহজ করতে -হেলথ কার্ডের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।"

এর পাশাপাশি ক্রীড়া কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ধর্মীয় গুরুদেরও ভাতার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার পানখালী এবং দিনাজপুরের নাফানগরএই তিন গ্রামকে মডেল ধরেএসডিজি ভিলেজকার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে থাকবে অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি। একটি মানবিক রাষ্ট্র যেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা নাগরিক অধিকার হবে সর্বজনীন এবং একটি কল্যাণ রাষ্ট্র, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক সুযোগ আন্তঃপ্রজন্ম ন্যায্যতা নিশ্চিত থাকবে।"

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


টেকসই উন্নয়নে জনবান্ধব পথনকশা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিএনপির সব পরিকল্পনা কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ারভিশন ২০৩০এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্পের সঙ্গে এসডিজির গভীর মিল রয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রেএসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব অগ্রাধিকারশীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।

তিনি বলেন, "এসডিজির মূলনীতিকাউকে পেছনে ফেলে নয়’- এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছেসবার জন্য বাংলাদেশ"

ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ মেয়াদে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণনির্ভর আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এবার পুনর্গঠনের পালা।"

দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের বহুমুখী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির চিত্র তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, "গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীর সামাজিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কৃষক কার্ড এবং জনস্বাস্থ্য চিকিৎসাসেবা সহজ করতে -হেলথ কার্ডের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।"

এর পাশাপাশি ক্রীড়া কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ধর্মীয় গুরুদেরও ভাতার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার পানখালী এবং দিনাজপুরের নাফানগরএই তিন গ্রামকে মডেল ধরেএসডিজি ভিলেজকার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে থাকবে অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি। একটি মানবিক রাষ্ট্র যেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা নাগরিক অধিকার হবে সর্বজনীন এবং একটি কল্যাণ রাষ্ট্র, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক সুযোগ আন্তঃপ্রজন্ম ন্যায্যতা নিশ্চিত থাকবে।"

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত