সংবাদ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়ে বিমান বদল ট্রাম্পের


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়ে বিমান বদল ট্রাম্পের
ছবি : বিবিসি

গত মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে নিজের বিমান বদলে অন্য একটি বিমানে চড়ে আঙ্কারা ত্যাগ করেছিলেন। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার হুমকির কারণে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর পরামর্শে তিনি এই পদক্ষেপ নেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ট্রাম্প নিজেই সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, “সিক্রেট সার্ভিস এবং সামরিক বাহিনী চেয়েছিল আমি যেন অন্য একটি বিমানে করে ফিরি। তারা যা বলে, আমাকে তা-ই করতে হয়।”

প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই আঙ্কারা বিমানবন্দরে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে ট্রাম্প জাঁকজমকভাবে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ওঠেন। কিন্তু বিমানে ওঠার পর একটি ক্যাটারিং ট্রাকের সাহায্য নিয়ে তিনি অন্য পাশে দিয়ে নেমে যান এবং গোপনে একটি ছোট সি-৩২এ সামরিক বিমানে চড়ে বসেন। এই বিমানটি সাধারণত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যবহার করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বিমান লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে–এমন একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য হুমকি’ পাওয়ার পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক হয়ে যায়। এমনকি সম্মেলনস্থলের কাছে কাঁধে রেখে ছোড়া যায় (শোল্ডার-ফায়ারড) এমন ক্ষেপণাস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে দেখার তথ্যও ছিল গোয়েন্দাদের কাছে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ট্রাম্প যে মূল বিমানে নেই, সেটি তার সঙ্গে থাকা সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের অনেক কর্মকর্তাও জানতেন না। তাদের বিভ্রান্ত করতে মূল বিমানটিকেই ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে চালানো হয় এবং মাঝ আকাশে জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় ট্রাম্পের প্রকৃত বিমানটি ‘রিচ ১৮’ সংকেত ব্যবহার করে যাত্রা করে।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই ঘটনার সমালোচনা করে বলেছে, সাংবাদিকদের এভাবে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিপদে ফেলা উচিত হয়নি। তবে ট্রাম্পের দাবি, তিনি ইরানের ‘এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু’ এবং তার জীবনের ওপর সবসময়ই হুমকি থাকে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়ে বিমান বদল ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গত মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে নিজের বিমান বদলে অন্য একটি বিমানে চড়ে আঙ্কারা ত্যাগ করেছিলেন। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার হুমকির কারণে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর পরামর্শে তিনি এই পদক্ষেপ নেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ট্রাম্প নিজেই সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, “সিক্রেট সার্ভিস এবং সামরিক বাহিনী চেয়েছিল আমি যেন অন্য একটি বিমানে করে ফিরি। তারা যা বলে, আমাকে তা-ই করতে হয়।”

প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই আঙ্কারা বিমানবন্দরে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে ট্রাম্প জাঁকজমকভাবে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ওঠেন। কিন্তু বিমানে ওঠার পর একটি ক্যাটারিং ট্রাকের সাহায্য নিয়ে তিনি অন্য পাশে দিয়ে নেমে যান এবং গোপনে একটি ছোট সি-৩২এ সামরিক বিমানে চড়ে বসেন। এই বিমানটি সাধারণত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যবহার করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বিমান লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে–এমন একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য হুমকি’ পাওয়ার পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক হয়ে যায়। এমনকি সম্মেলনস্থলের কাছে কাঁধে রেখে ছোড়া যায় (শোল্ডার-ফায়ারড) এমন ক্ষেপণাস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে দেখার তথ্যও ছিল গোয়েন্দাদের কাছে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ট্রাম্প যে মূল বিমানে নেই, সেটি তার সঙ্গে থাকা সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের অনেক কর্মকর্তাও জানতেন না। তাদের বিভ্রান্ত করতে মূল বিমানটিকেই ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে চালানো হয় এবং মাঝ আকাশে জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় ট্রাম্পের প্রকৃত বিমানটি ‘রিচ ১৮’ সংকেত ব্যবহার করে যাত্রা করে।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই ঘটনার সমালোচনা করে বলেছে, সাংবাদিকদের এভাবে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিপদে ফেলা উচিত হয়নি। তবে ট্রাম্পের দাবি, তিনি ইরানের ‘এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু’ এবং তার জীবনের ওপর সবসময়ই হুমকি থাকে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত