ফেনীর কালিদহ ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি নুরুল আফসার সোহাগকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) জেলা কৃষক দলের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কারের পাশাপাশি তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছে।
ফেনী জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আবদুল গণি স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে তার সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নুরুল আফসার সোহাগ দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অপকর্মে জড়ালে তার দায়ভার দল নেবে না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষক দলের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সোহাগের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তাকে বারবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজেকে সংশোধন করেননি। ফলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’
জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামছুদ্দীন খোকন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ফেনীর কালিদহ ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি নুরুল আফসার সোহাগকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) জেলা কৃষক দলের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কারের পাশাপাশি তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছে।
ফেনী জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আবদুল গণি স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে তার সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নুরুল আফসার সোহাগ দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অপকর্মে জড়ালে তার দায়ভার দল নেবে না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষক দলের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সোহাগের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তাকে বারবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজেকে সংশোধন করেননি। ফলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’
জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামছুদ্দীন খোকন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন