বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বল হাতে হাসান মাহমুদ একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডারউইনের সবুজ উইকেটে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন তানজিদ হাসান তামিম। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক শতক তুলে নিয়ে তিনি গড়েছেন অনন্য এক রেকর্ড–অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট সেঞ্চুরি।
ডারউইনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ছিল শুধুই তানজিদ-ময়। ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা এই বাঁহাতি ওপেনার ১৮৮ বলে স্পর্শ করেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। নাথান লায়নকে লং অফে ঠেলে দিয়ে এক রান নেওয়ার পরপরই মাঝ উইকেটে লাফিয়ে উঠে উদযাপন করেন এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শেষ পর্যন্ত ১০১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার ১৯৭ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার মার।
অথচ আগের দিনই স্টিভেন স্মিথ ভয় ধরিয়েছিলেন যে, ডারউইনের এই উইকেট বেশ ‘ট্রিকি’ বা কঠিন। সেই কঠিন উইকেটে প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও জেমস ওয়েবস্টারদের বাউন্স আর সুইং সামলে তানজিদ বুঝিয়ে দিলেন, তিনি টেস্ট ক্রিকেটেও লম্বা রেসের ঘোড়া। এর আগে ২০০৩ সালে কেয়ার্নসে হান্নান সরকারের করা ৭৬ রানই ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো বাংলাদেশির সর্বোচ্চ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নিজেকে এক উচ্চতায় নিয়ে গেলেন তানজিদ।
অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর আজ বাংলাদেশও লিড নিয়েছে। তানজিদকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে তিনিও অপরাজিত আছেন। মুমিনুল হক অবশ্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৪৯ রানে আউট হয়ে ফিফটি মিস করেছেন। তানজিদ ও মুমিনুলের ১০২ রানের জুটির ওপর ভর করেই বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায়।
ব্যক্তিগত ৬২ রানে থাকার সময় অবশ্য ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন তানজিদ। স্টিভেন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। সেই জীবন পাওয়ার সুযোগটি হেলায় হারাননি। স্মিথ যাকে ‘ট্রিকি’ উইকেট বলেছিলেন, সেই উইকেটে স্মিথের হাতের ক্যাচ ফসকে যাওয়াটাই যেন বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এল। ডারউইন টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে।
\

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বল হাতে হাসান মাহমুদ একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডারউইনের সবুজ উইকেটে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন তানজিদ হাসান তামিম। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক শতক তুলে নিয়ে তিনি গড়েছেন অনন্য এক রেকর্ড–অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট সেঞ্চুরি।
ডারউইনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ছিল শুধুই তানজিদ-ময়। ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা এই বাঁহাতি ওপেনার ১৮৮ বলে স্পর্শ করেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। নাথান লায়নকে লং অফে ঠেলে দিয়ে এক রান নেওয়ার পরপরই মাঝ উইকেটে লাফিয়ে উঠে উদযাপন করেন এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শেষ পর্যন্ত ১০১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার ১৯৭ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার মার।
অথচ আগের দিনই স্টিভেন স্মিথ ভয় ধরিয়েছিলেন যে, ডারউইনের এই উইকেট বেশ ‘ট্রিকি’ বা কঠিন। সেই কঠিন উইকেটে প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও জেমস ওয়েবস্টারদের বাউন্স আর সুইং সামলে তানজিদ বুঝিয়ে দিলেন, তিনি টেস্ট ক্রিকেটেও লম্বা রেসের ঘোড়া। এর আগে ২০০৩ সালে কেয়ার্নসে হান্নান সরকারের করা ৭৬ রানই ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো বাংলাদেশির সর্বোচ্চ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নিজেকে এক উচ্চতায় নিয়ে গেলেন তানজিদ।
অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর আজ বাংলাদেশও লিড নিয়েছে। তানজিদকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে তিনিও অপরাজিত আছেন। মুমিনুল হক অবশ্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৪৯ রানে আউট হয়ে ফিফটি মিস করেছেন। তানজিদ ও মুমিনুলের ১০২ রানের জুটির ওপর ভর করেই বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায়।
ব্যক্তিগত ৬২ রানে থাকার সময় অবশ্য ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন তানজিদ। স্টিভেন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। সেই জীবন পাওয়ার সুযোগটি হেলায় হারাননি। স্মিথ যাকে ‘ট্রিকি’ উইকেট বলেছিলেন, সেই উইকেটে স্মিথের হাতের ক্যাচ ফসকে যাওয়াটাই যেন বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এল। ডারউইন টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে।
\

আপনার মতামত লিখুন