দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে নতুন রূপ দিতে এবং আরও আকর্ষণীয় ও বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনটি ভিন্ন আসরকে এক ছাতার নিচে এনে শুরু হতে যাচ্ছে বোর্ডের নতুন টুর্নামেন্ট ‘ডি থ্রি ট্রফি’। ডোমেস্টিক তিনটি প্রতিযোগিতার সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই নামকরণ। এতে থাকছে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের ম্যাচ, ৫০ ওভারের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি আসর। আজ রোববার সন্ধ্যায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের নাম, লোগো ও অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করবে বিসিবি।
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হবে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টে মোট ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবালের নিজস্ব উদ্যোগে দেশের স্বনামধন্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এই আয়োজনে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা নিয়ে অতীতে যে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা যেন এখানে না ঘটে, সে কারণেই বড় ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে দলের মালিকানা দেওয়া হচ্ছে।
ফরচুন গ্রুপ, ব্লু স্টার লিমিটেড, সিটিজেন ব্যাংক, ওয়ালটন, একমি ও সেভেন রিংস সিমেন্টের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো টুর্নামেন্টে দল নিচ্ছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নাবিল গ্রুপও এতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শেষ হওয়ার পরই মাঠে গড়াবে নতুন এই টুর্নামেন্ট। আগামী ১২ ডিসেম্বর বরিশালে টি-টোয়েন্টি আসর দিয়ে পর্দা উঠবে ডি থ্রি ট্রফির। এরপর অনুষ্ঠিত হবে বিসিএলের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং সবশেষে চার দিনের বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেট। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে এই আসর।
ক্রিকেটারদের আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টি এবার বিসিবি নিজেই তদারকি করবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছ থেকে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক আগেই সংগ্রহ করে রাখা হবে এবং গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী প্লেয়ারদের কাছে ধারাবাহিকভাবে তা বুঝিয়ে দেবে বোর্ড। টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যয়ের বিষয়টিও একটি নিপুণ ছকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বিসিবি। মাঠে এই পরিচ্ছন্ন পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে নতুন রূপ দিতে এবং আরও আকর্ষণীয় ও বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনটি ভিন্ন আসরকে এক ছাতার নিচে এনে শুরু হতে যাচ্ছে বোর্ডের নতুন টুর্নামেন্ট ‘ডি থ্রি ট্রফি’। ডোমেস্টিক তিনটি প্রতিযোগিতার সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই নামকরণ। এতে থাকছে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের ম্যাচ, ৫০ ওভারের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি আসর। আজ রোববার সন্ধ্যায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের নাম, লোগো ও অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করবে বিসিবি।
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হবে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টে মোট ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবালের নিজস্ব উদ্যোগে দেশের স্বনামধন্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এই আয়োজনে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা নিয়ে অতীতে যে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা যেন এখানে না ঘটে, সে কারণেই বড় ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে দলের মালিকানা দেওয়া হচ্ছে।
ফরচুন গ্রুপ, ব্লু স্টার লিমিটেড, সিটিজেন ব্যাংক, ওয়ালটন, একমি ও সেভেন রিংস সিমেন্টের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো টুর্নামেন্টে দল নিচ্ছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নাবিল গ্রুপও এতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শেষ হওয়ার পরই মাঠে গড়াবে নতুন এই টুর্নামেন্ট। আগামী ১২ ডিসেম্বর বরিশালে টি-টোয়েন্টি আসর দিয়ে পর্দা উঠবে ডি থ্রি ট্রফির। এরপর অনুষ্ঠিত হবে বিসিএলের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং সবশেষে চার দিনের বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেট। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে এই আসর।
ক্রিকেটারদের আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টি এবার বিসিবি নিজেই তদারকি করবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছ থেকে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক আগেই সংগ্রহ করে রাখা হবে এবং গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী প্লেয়ারদের কাছে ধারাবাহিকভাবে তা বুঝিয়ে দেবে বোর্ড। টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যয়ের বিষয়টিও একটি নিপুণ ছকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বিসিবি। মাঠে এই পরিচ্ছন্ন পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন