নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে পলাশ উপজেলার হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে মাসুম ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গুলি ছোড়ে। এতে ইব্রাহিম আল মাসুম (৩৩) গুলিবিদ্ধ হন এবং তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন আহত হন।
গুরুতর আহত মাসুমকে ঢাকার পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তিনি মারা যান। নিহত মাসুম উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ৪ আগস্ট পলাশ থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১-এর সহযোগিতায় মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর আসামি সাফাদি মির্জা বিজয়সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন–শাহ আলম ফকির (৩০), রিফাত ওরফে বাবু ফকির (২২), তুষার (২৫) ও মেহেদী (২০)। তাদের সবার বাড়ি হাসানহাটা এলাকায়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত আছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে পলাশ উপজেলার হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে মাসুম ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গুলি ছোড়ে। এতে ইব্রাহিম আল মাসুম (৩৩) গুলিবিদ্ধ হন এবং তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন আহত হন।
গুরুতর আহত মাসুমকে ঢাকার পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তিনি মারা যান। নিহত মাসুম উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ৪ আগস্ট পলাশ থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১-এর সহযোগিতায় মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর আসামি সাফাদি মির্জা বিজয়সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন–শাহ আলম ফকির (৩০), রিফাত ওরফে বাবু ফকির (২২), তুষার (২৫) ও মেহেদী (২০)। তাদের সবার বাড়ি হাসানহাটা এলাকায়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন