গাজা উপত্যকায় উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে মিসরের রাজধানী কায়রো সফরে যাচ্ছেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার শীর্ষ নেতা খলিল আল-হাইয়া। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মিসরের গোয়েন্দা প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে। হামাস ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত জুলাইয়ের শেষদিকে হামাসের নেতৃত্বে আসার পর খলিল আল-হাইয়ার এটিই প্রথম মিসর সফর। এমন এক সময়ে তিনি কায়রো যাচ্ছেন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার মধ্যপ্রাচ্য সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী সপ্তাহে কুশনার ইসরায়েল ও মিসর সফর করবেন। তার এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো গাজা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের পরিকল্পনা নিয়ে মতপার্থক্য কমিয়ে আনা।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। হামাস তাদের অস্ত্র জমা দিয়ে একটি নতুন ফিলিস্তিনি প্রশাসনিক কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ১৫ দফার একটি প্রস্তাবে রাজি হলেও নেতানিয়াহু তা নাকচ করে দেন। তাঁর সাফ কথা, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
এদিকে আলোচনার তোড়জোড়ের মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। শনিবারও ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুই ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।
শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চয়তার মুখে, তখন হামাস নেতা ও মার্কিন দূতের এই কায়রো সফর নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
/

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
গাজা উপত্যকায় উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে মিসরের রাজধানী কায়রো সফরে যাচ্ছেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার শীর্ষ নেতা খলিল আল-হাইয়া। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মিসরের গোয়েন্দা প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে। হামাস ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত জুলাইয়ের শেষদিকে হামাসের নেতৃত্বে আসার পর খলিল আল-হাইয়ার এটিই প্রথম মিসর সফর। এমন এক সময়ে তিনি কায়রো যাচ্ছেন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার মধ্যপ্রাচ্য সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী সপ্তাহে কুশনার ইসরায়েল ও মিসর সফর করবেন। তার এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো গাজা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের পরিকল্পনা নিয়ে মতপার্থক্য কমিয়ে আনা।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। হামাস তাদের অস্ত্র জমা দিয়ে একটি নতুন ফিলিস্তিনি প্রশাসনিক কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ১৫ দফার একটি প্রস্তাবে রাজি হলেও নেতানিয়াহু তা নাকচ করে দেন। তাঁর সাফ কথা, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
এদিকে আলোচনার তোড়জোড়ের মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। শনিবারও ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুই ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।
শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চয়তার মুখে, তখন হামাস নেতা ও মার্কিন দূতের এই কায়রো সফর নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
/

আপনার মতামত লিখুন