সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৮ এএম

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা
ছবি : আলজাজিরা

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭.৭ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মাউমেরে বন্দরে ভূমিকম্পের সময় এক নারী ও এক পুরুষ মারা গেছেন। এ ছাড়া আরও একজন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের প্রভাবে ওই এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি ও বন্দর স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রসৈকত ও নদীতীরবর্তী এলাকা ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

বিএনপিবির কর্মকর্তা আব্দুল মুহারি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ উপকূলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা খালি করার আহ্বান জানাচ্ছি। উপকূল থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার ভেতরে অথবা ১০ মিটারের বেশি উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।”

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা অগ্নীবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটে। এর আগে ১৯৯২ সালে একই এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭.৭ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মাউমেরে বন্দরে ভূমিকম্পের সময় এক নারী ও এক পুরুষ মারা গেছেন। এ ছাড়া আরও একজন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের প্রভাবে ওই এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি ও বন্দর স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রসৈকত ও নদীতীরবর্তী এলাকা ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

বিএনপিবির কর্মকর্তা আব্দুল মুহারি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ উপকূলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা খালি করার আহ্বান জানাচ্ছি। উপকূল থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার ভেতরে অথবা ১০ মিটারের বেশি উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।”

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা অগ্নীবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটে। এর আগে ১৯৯২ সালে একই এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত