সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প: ২৩৫ বার আফটারশক


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ এএম

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প: ২৩৫ বার আফটারশক
ছবি : সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপ অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পটির পর মাত্র ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ২৩৫টি আফটারশক (অনুকম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। রিখটার স্কেলে এসব আফটারশকের মাত্রা ছিল ২ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ২ পর্যন্ত।

দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়। এরপর দুপুর ২টা পর্যন্ত দফায় দফায় অন্তত ২৩৫ বার কেঁপে ওঠে পুরো অঞ্চল। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা তুলে নেওয়া হয়। তবে ঘন ঘন আফটারশকের কারণে বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সিক্কা, মাঙ্গারাই এবং পূর্ব মাঙ্গারাই জেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ভূমিধসের কবলে পড়া মাঙ্গারাই রিজেন্সির রিওক গ্রাম থেকে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নাগেকেও রিজেন্সির প্রায় দুই হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন।

ভূমিকম্পের প্রভাবে ফ্লোরেস দ্বীপের প্রধান সংযোগ সড়ক ‘ট্রান্স-ফ্লোরেস মহাসড়ক’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনটি হেলিকপ্টার ও একটি জাহাজসহ বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

আফটারশকের ভয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরিয়ে খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিক্কা রিজেন্সিতে একটি ঐতিহাসিক ভবন ধসে পড়ার সময় প্রাণ বাঁচাতে দোতলা থেকে লাফ দিয়ে এক যাজক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উপকূলীয় ও পার্বত্য এলাকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প: ২৩৫ বার আফটারশক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপ অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পটির পর মাত্র ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ২৩৫টি আফটারশক (অনুকম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। রিখটার স্কেলে এসব আফটারশকের মাত্রা ছিল ২ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ২ পর্যন্ত।

দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়। এরপর দুপুর ২টা পর্যন্ত দফায় দফায় অন্তত ২৩৫ বার কেঁপে ওঠে পুরো অঞ্চল। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা তুলে নেওয়া হয়। তবে ঘন ঘন আফটারশকের কারণে বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সিক্কা, মাঙ্গারাই এবং পূর্ব মাঙ্গারাই জেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ভূমিধসের কবলে পড়া মাঙ্গারাই রিজেন্সির রিওক গ্রাম থেকে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নাগেকেও রিজেন্সির প্রায় দুই হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন।

ভূমিকম্পের প্রভাবে ফ্লোরেস দ্বীপের প্রধান সংযোগ সড়ক ‘ট্রান্স-ফ্লোরেস মহাসড়ক’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনটি হেলিকপ্টার ও একটি জাহাজসহ বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

আফটারশকের ভয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরিয়ে খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিক্কা রিজেন্সিতে একটি ঐতিহাসিক ভবন ধসে পড়ার সময় প্রাণ বাঁচাতে দোতলা থেকে লাফ দিয়ে এক যাজক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উপকূলীয় ও পার্বত্য এলাকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত