গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের বীরউজুলী মডেল একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. তাফসিরুল ইসলাম অন্তর মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয়ের বিরতির সময় নিখোঁজ হয়েছে। সে ওই ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামের সোহাগ খানের ছেলে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিরতি দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে আশপাশের দোকানে টিফিন খেতে যায়। এ সময় অন্যদের সঙ্গে অন্তরও বিদ্যালয়ের আঙিনা থেকে বের হয়ে যায়। পরে সোয়া ২টা থেকে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হলেও অন্তর শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসেনি। বেলা ৩টার দিকে বীরউজুলী বাজারের এক দোকানি মফিজউদ্দিনের তিনতলা ভবনের ছাদের গুদাম থেকে মালামাল আনতে গিয়ে রক্তমাখা প্যান্ট, জামা, জুতা ও পরিচয়পত্র দেখতে পেয়ে বিদ্যালয়ে খবর দেন।
খবর পেয়ে শিক্ষকেরা ঘটনাস্থলে হাজির হন এবং শিক্ষার্থীর পরিবারকে ফোনে বিষয়টি জানান। এ সময় বীরউজুলী বাজারে অবস্থানরত টোক নয়নবাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা লোকজনের জটলা দেখে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই আলামতগুলো উদ্ধার করেন। পরে অন্তরের বাবা সোহাগ খান ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আলামতগুলো ছেলের বলে শনাক্ত করেন। সোহাগ খান জানান, তিনি এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ শিক্ষার্থীর জামা, জুতা ও পরিচয়পত্র বীরউজুলী বাজারের মফিজউদ্দিনের ভবনের তিনতলার ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি বীরউজুলী বাজার ও আশপাশে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। প্রকাশ্যে চাইনিজ কুড়াল ও নানা অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন নামের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মহড়া দিতে দেখা গেছে বলে তাঁরা জানান। বিষয়টি কাপাসিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের বীরউজুলী মডেল একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. তাফসিরুল ইসলাম অন্তর মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয়ের বিরতির সময় নিখোঁজ হয়েছে। সে ওই ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামের সোহাগ খানের ছেলে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিরতি দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে আশপাশের দোকানে টিফিন খেতে যায়। এ সময় অন্যদের সঙ্গে অন্তরও বিদ্যালয়ের আঙিনা থেকে বের হয়ে যায়। পরে সোয়া ২টা থেকে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হলেও অন্তর শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসেনি। বেলা ৩টার দিকে বীরউজুলী বাজারের এক দোকানি মফিজউদ্দিনের তিনতলা ভবনের ছাদের গুদাম থেকে মালামাল আনতে গিয়ে রক্তমাখা প্যান্ট, জামা, জুতা ও পরিচয়পত্র দেখতে পেয়ে বিদ্যালয়ে খবর দেন।
খবর পেয়ে শিক্ষকেরা ঘটনাস্থলে হাজির হন এবং শিক্ষার্থীর পরিবারকে ফোনে বিষয়টি জানান। এ সময় বীরউজুলী বাজারে অবস্থানরত টোক নয়নবাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা লোকজনের জটলা দেখে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই আলামতগুলো উদ্ধার করেন। পরে অন্তরের বাবা সোহাগ খান ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আলামতগুলো ছেলের বলে শনাক্ত করেন। সোহাগ খান জানান, তিনি এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ শিক্ষার্থীর জামা, জুতা ও পরিচয়পত্র বীরউজুলী বাজারের মফিজউদ্দিনের ভবনের তিনতলার ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি বীরউজুলী বাজার ও আশপাশে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। প্রকাশ্যে চাইনিজ কুড়াল ও নানা অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন নামের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মহড়া দিতে দেখা গেছে বলে তাঁরা জানান। বিষয়টি কাপাসিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।

আপনার মতামত লিখুন