বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব কানওয়াল সিবাল।
ভারত
সফরের শর্ত হিসেবে সাবেক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের
বিষয়টিকে যুক্ত করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের কঠোর সমালোচনা করে
বিষয়টিকে অপকূটনীতি বলে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের
সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক
লিখেছেন, "তারেক রহমান এমন এক গর্ত
খুঁড়ছেন, যেখান থেকে আর বের
হতে পারবেন না।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "তারেক
রহমানের ভারত সফরকে হাসিনার
প্রত্যর্পণের সঙ্গে যুক্ত করাটা কঠোর অবস্থান। এটি
কূটনীতি নয়, এটি খামখেয়ালিপনা।
আলোচনার জন্য একটি দরজা
খোলা রাখা উচিত ছিল।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও একই ধরনের
ভুল করেছিলেন।"
বাংলাদেশের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে
দুদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল।
তবে গত ৫ আগস্ট
দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য
বক্তব্য দেওয়ার পর এই প্রক্রিয়ায়
ব্যাঘাত ঘটে। বাংলাদেশ সরকার
ইতোমধ্যে ভারত সরকারকে শেখ
হাসিনা এবং শরীফ ওসমান
হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ অন্য পলাতকদের দ্রুত
প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে এবং ভারতের আনুষ্ঠানিক
জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত,
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ
হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্রিকস সম্মেলনে
যোগ দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে
দুইবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
প্রথম
আমন্ত্রণপত্রটি ঢাকার বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে পৌঁছে দেন ভারতের লোকসভার
স্পিকার ওম বিড়লা। বর্তমানে
দিল্লির জবাব ও প্রত্যর্পণ
ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশী
দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চরম আগ্রহ সৃষ্টি
হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব কানওয়াল সিবাল।
ভারত
সফরের শর্ত হিসেবে সাবেক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের
বিষয়টিকে যুক্ত করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের কঠোর সমালোচনা করে
বিষয়টিকে অপকূটনীতি বলে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের
সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক
লিখেছেন, "তারেক রহমান এমন এক গর্ত
খুঁড়ছেন, যেখান থেকে আর বের
হতে পারবেন না।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "তারেক
রহমানের ভারত সফরকে হাসিনার
প্রত্যর্পণের সঙ্গে যুক্ত করাটা কঠোর অবস্থান। এটি
কূটনীতি নয়, এটি খামখেয়ালিপনা।
আলোচনার জন্য একটি দরজা
খোলা রাখা উচিত ছিল।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও একই ধরনের
ভুল করেছিলেন।"
বাংলাদেশের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে
দুদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল।
তবে গত ৫ আগস্ট
দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য
বক্তব্য দেওয়ার পর এই প্রক্রিয়ায়
ব্যাঘাত ঘটে। বাংলাদেশ সরকার
ইতোমধ্যে ভারত সরকারকে শেখ
হাসিনা এবং শরীফ ওসমান
হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ অন্য পলাতকদের দ্রুত
প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে এবং ভারতের আনুষ্ঠানিক
জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত,
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ
হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্রিকস সম্মেলনে
যোগ দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে
দুইবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
প্রথম
আমন্ত্রণপত্রটি ঢাকার বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে পৌঁছে দেন ভারতের লোকসভার
স্পিকার ওম বিড়লা। বর্তমানে
দিল্লির জবাব ও প্রত্যর্পণ
ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশী
দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চরম আগ্রহ সৃষ্টি
হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন